৩য় শ্রেণির বাংলা পাঠ ২৪ তালগাছ প্রশ্ন উত্তর: ‘তালগাছ’ কবিতায় তালগাছের মনের ইচ্ছা নিয়ে কবিমনের কল্পনার কথা বলা হয়েছে। তালগাছকে দেখলে মনে হয় সে যেন এক পায়ে ভর করে দাঁড়িয়ে আছে। কবি ভাবেন তালগাছ বুঝি আকাশে উড়াল দিতে চায়। কিন্তু তালগাছের তো পাখির মতো পাখা নেই। তাই সে নিজের পাতাকেই পাখা হিসেবে ভেবে নেয়। বাতাস এলে তালগাছ পাতারূপী পাখাগুলো মেলে দেয়। বাতাস থেমে গেলে তালগাছ বুঝতে পারে মাটির কাছে থাকতেই তার ভালো লাগে।
৩য় শ্রেণির বাংলা পাঠ ২৪ তালগাছ প্রশ্ন উত্তর:
শব্দ শিখি।
সাধ – ইচ্ছা
ফুঁড়ে – ভেদ করে
পত্তর – পাতা, পত্র
আরবার – আবার
অনুশীলনী
১। বাক্য বলি ও লিখি।
তালগাছ …………
মেঘ ……………..
ইচ্ছা ……………..
ঝরঝর ……………..
হাওয়া ……………..
পৃথিবী ……………..
উত্তর:
তালগাছ – তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
মেঘ – আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে আছে।
ইচ্ছা – ইচ্ছা করে পাখির মতো আকাশে উড়তে।
ঝরঝর – ঝরঝর করে বৃষ্টি ঝরছে।
হাওয়া – ঠান্ডা হাওয়া বইছে।
পৃথিবী – পৃথিবীটা খুবই সুন্দর।
২। আমার চেনা পাঁচটি গাছের নাম বলি ও লিখি।
উত্তর : আমার চেনা পাঁচটি গাছের নাম হলো- আমগাছ, কাঁঠাল গাছ, লিচুগাছ, জামগাছ ও বরইগাছ।
৩। যুক্তবর্ণ ভেঙে লিখি।
ইচ্ছা চ্ছ = চ + ছ
থথর ত্থ = ত + থ
পত্তর ত্ত = ত + ত
৪। কবিতাটি দেখে দেখে সুন্দর করে বলি।
উত্তর : নিজে চেষ্টা করো।
৫। বুঝে নিই।
উকি মারে আকাশে – মুখ বাড়িয়ে আকাশ দেখে।
মেঘ ফুঁড়ে যায় – মেঘ ফুটো করে উপরে উঠে যায়।
ফেরে তার মনটি – মন ফিরে আসে।
মা যে হয় মাটি তার – তার কাছে মাটিকে মা মনে হয়।
৬। বলি ও লিখি।
ক) কবিতাটির কবির নাম কী?
উত্তর: কবিতাটির কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
খ) তালগাছের মনের সাধ কী?
উত্তর: তালগাছের মনের সাধ কালো মেঘ ফুঁড়ে অর্থাৎ ভেদ করে উড়ে যাওয়ার।
গ) তালগাছ কীভাবে দাঁড়িয়ে আছে?
উত্তর: তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে।
ঘ) বাতাস হলে তালগাছের পাতা কেমন করে কাঁপে?
উত্তর: বাতাস হলে তালগাছের পাতা থথর করে কাঁপে।
ঙ) তালগাছ মনে মনে কাকে মা ভাবে?
উত্তর: তালগাছ মনে মনে মাটিকে মা ভাবে।
৭। সঠিক উত্তরটি বলি ও লিখি।
তালগাছ উঁকি মারে-
ক. আকাশে
খ. বাতাসে
গ. জানালায়
ঘ. দরজায়
উত্তর: ক. আকাশে।
তালগাছের মনের ইচ্ছা-
ক. সব গাছের চেয়ে উঁচুতে উঠবে
খ. খ. কালো মেঘ ফুঁড়ে উড়ে যাবে
গ. আকাশে উকি মেরে দেখবে
ঘ. এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকবে
উত্তর: খ. কালো মেঘ ফুঁড়ে উড়ে যাবে।
বাতাস হলে তালগাছের-
ক. পাতা কাঁপা থেমে যায়
খ. মনের ইচ্ছা থেমে যায়
গ. থথর করে পাতা কাঁপে
ঘ. থথর করে পাতা কাঁপে
উত্তর: গ. থথর করে পাতা কাঁপে।
৮। দাগ টেনে মিল করি।
| বাম | ডান |
| তালগাছ সারাদিন মনে সাধ তার পরে যেই ভাবে |
ঝরঝর থথর মা যে হয় মাটি তার হাওয়া যেই নেমে যায় এক পায়ে দাঁড়িয়ে কালো মেঘ ছুঁড়ে যায় |
উত্তর:
তালগাছ – এক পায়ে দাঁড়িয়ে
সারাদিন – ঝরঝর থথর
মনে সাধ – কালো মেঘ ফুঁড়ে যায়
তার পরে – হাওয়া যেই নেমে যায়
যেই ভাবে – মা যে হয় মাটি তার
৯। একটি গাছের বিবরণ লিখি।
গাছটির নাম কী?…………………
গাছটি কোথায় দেখেছ?………………..
গাছটি দেখতে কেমন?………………..
……………………………………………………
……………………………………………………
গাছটি কোন কাজে লাগে?………………..
উত্তর :
গাছটির নাম কী?
নারকেল গাছ।
গাছটি কোথায় দেখেছ?
বাড়িতে।
গাছটি দেখতে কেমন?
নারকেল গাছ সাধারণত লম্বা, সরু এবং মসৃণ ডাঁটা বিশিষ্ট। এর পাতা দীর্ঘ ও সরু। গাছটি উঁচুতে উঠে যায় এবং পাতা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। এ গাছের ডাঁটার শীর্ষে নারকেল ফল ধরে। যা সাদা বা সবুজ রঙের হয়ে থাকে। পরে আবার সেগুলো বাদামী রঙের হয়ে যায়। নারকেল গাছের উচ্চতা সাধারণত ২০-৩০ ফুট পর্যন্ত হয়।
গাছটি কোন কাজে লাগে?
নারকেল গাছ খুব উপকারী। নারকেলের পানি ও শাঁস পুষ্টিকর। এ গাছের পাতা, খোসা ও শাঁসের বর্জ্য জৈব সার তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া এ গাছের কাঠ, পাতা, তন্তু ও অন্যান্য অংশ ও বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন- ছাতা, বাসন, বস্ত্র এবং আসবাবপত্র ইত্যাদি।
১০। গাছ আমাদের কী কী কাজে লাগে তা বলি ও লিখি।
উত্তর :
গাছ আমাদের যেসব কাজে লাগে তা হলো-
ক. গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়।
খ. গাছ আমাদের ফুল ও ফল দেয়।
গ. গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়।
ঘ. গাছ আসবাবপত্র তৈরিতে কাজে লাগে।
ঙ. অনেক গাছ থেকে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ প্রস্তুত হয়।
📘 সকল গাইড, নোট ও সাজেশন পেতে অ্যাপটি ইনস্টল করো:
Install Now
অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
শূন্যস্থান পুরণ করো।
১.——এক পায়ে দাঁড়িয়ে।
২. উকি মারে——।
৩. ——মেঘ ফুঁড়ে যায়।
৪. একেবারে——-যায়।
৫. কোথা পাবে——-সে?
৬. ভাবে বুঝি——–এই।
৭. উড়ে যেতে——-নেই।
৮. সারাদিন ঝরঝর——-কাঁপে পাতা।
৯. তালগাছ——-এড়িয়ে যায়।
১০. ——-যেই নেমে যায়।
১১. ——-যে হয়——–তার।
উত্তর:
১. তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে।
২. উঁকি মারে আকাশে।
৩. কালো মেঘ ফুঁড়ে যায়।
৪. একেবারে উড়ে যায়।
৫. কোথা পাবে পাখা সে?
৬. ভাবে বুঝি ডানা এই।
৭. উড়ে যেতে মানা নেই।
৮. সারাদিন ঝরঝর থথর কাঁপে পাতা।
৯. তালগাছ তারাদের এড়িয়ে যায়।
১০. হাওয়া যেই নেমে যায়।
১১. মা যে হয় মাটি তার।
যুক্তবর্ণ ভেঙে নতুন শব্দ গঠন:
ইচ্ছা, থথর, পত্তর।
উত্তর:
ইচ্ছা – চ্ছ = চ + ছ = কিচ্ছা।
থথর – ত্থ = ত + থ = উত্থান।
পত্তর – ত্ত = ত + ত = সত্তর।
কবিতায় ব্যবহৃত জোড় শব্দগুলো লিখে বাক্য তৈরি করো:
ক. গোল গোল – ময়রা গোল গোল মিষ্টি বানায়।
খ. মনে মনে – সে মনে মনে কতো কথা বলে!
গ. ঝরঝর – সারাদিন ঝরঝর করে বৃষ্টি ঝরছে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
১. ‘তালগাছ’ কবিতার কবি কে?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২. তালগাছ কয় পায়ে দাঁড়িয়ে আছে?
উত্তর: এক পায়ে।
৩. তালগাছ কাকে ছাড়িয়ে উঁকি মারে?
উত্তর: সব গাছ ছাড়িয়ে।
৪. তালগাছ কোথায় উকি মারে?
উত্তর: আকাশে।
৫. তালগাছ সব গাছ ছাড়িয়ে কী করে?
উত্তর: আকাশে উকি মারে?
৬. তালগাছের কী ভেদ করে যেতে ইচ্ছে করে?
উত্তর: কালো মেঘ।
৭. তালগাছ কীসের অভাব বোধ করে?
উত্তর: পাখার অভাব।
৮. তালগাছের কী করতে ইচ্ছে হয়?
উত্তর: উড়ে যেতে ইচ্ছে হয়।
৯. তালগাছের মাথায় কী?
উত্তর: গোল গোল পাতা।
১০. তালগাছ কীসের সাহায্যে নিজের ইচ্ছাকে মেলে ধরে?
উত্তর: পাতার সাহায্যে।
Codehorse Learn Free