এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি বিদ্যুতের চৌম্বক ক্রিয়া সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি বিদ্যুতের চৌম্বক ক্রিয়া সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের দ্বাদশ অধ্যায়ের (বিদ্যুতের চৌম্বক ক্রিয়া) গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করব।

এসএসসি বিদ্যুতের চৌম্বক ক্রিয়া সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর:

০১. কোনো ঘরের এক দেয়াল থেকে অপর দেয়ালে ইলেকট্রন বিম ছুড়লে ইলেকট্রন বিমের গতিপথ পরিবর্তিত হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণ বরাবর বিশাল চৌম্বক ক্ষেত্র বিদ্যমান। ঘরের ভিতরে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপ করলে এবং তা পূর্ব থেকে পশ্চিমে গেলে চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে তা উপরের দিকে একটি বল লাভ করবে। তাই ইলেকট্রন বিমের গতিপথ পরিবর্তিত হবে।


০২. একটি লোহার দণ্ড কি চুম্বক নাকি নয় তা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: একটি লোহার দণ্ড চুম্বক কী-না নির্ণয় করার জন্য দণ্ডটিকে ভেঙ্গে দুই টুকরা করতে হবে। তারপর দুটি টুকরা যদি পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাহলে দণ্ডটি চুম্বক ছিলো। যদি দুটি টুকরা কোনোরকম বল অনুভব না করে তাহলে দণ্ডটি চুম্বক ছিলো না।


০৩. একটি চুম্বকের সাহায্যে ভৌগোলিক উত্তর মেরু কীভাবে শনাক্ত করা যায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: একটি দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরুর দিকে মুখ করে থাকে। অপরদিকে দণ্ড চুম্বকের দক্ষিণ মেরু ভৌগোলিকভাবে উত্তর দিকে থাকে। তাই বলা যায়, একটি দণ্ড চুম্বকের দক্ষিণ মেরু যেদিকে মুখ করে থাকবে সেদিকে ভৌগোলিক উত্তর মেরুর অবস্থান হবে।


০৪. তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: কোনো তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহের দরুন এর আশপাশ জুড়ে চৌম্বকক্ষেত্রের উদ্ভব হয়, ফলে সন্নিকটে রাখা চৌম্বক শলাকা বিক্ষিপ্ত হয়। এই ঘটনাকে তড়িৎপ্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া বলে।


০৫. তাড়িতচৌম্বকের ২টি ব্যবহার লিখো।
উত্তর: তাড়িতচৌম্বকের ২টি ব্যবহার নিম্নরূপ:
১. মোটরের মাধ্যমে তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরের জন্য তাড়িতচৌম্বক ব্যবহার করা হয়।
২. দূর দূরান্তে বিদ্যুৎ প্রেরণের জন্য ট্রান্সফর্মারে তাড়িতচৌম্বক ব্যবহার করা হয়।


০৬. জেনারেটর ব্যবহারের ২টি ক্ষেত্র লিখো।
উত্তর: জেনারেটর ব্যবহারের ২টি ক্ষেত্র নিম্নরূপ:
১. বিদ্যুৎ উৎপাদন: বৃহত্তর স্কেলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার জন্য জেনারেটর ব্যবহার করা হয়।
২. অস্থায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ: অস্থায়ী ভিত্তিতে বা জরুরী বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর ব্যবহার করা হয়।


০৭. আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহ ও আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি কীভাবে সৃষ্টি করা যায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: একটি তার কুণ্ডলী এবং একটি চুম্বকের মাঝে আপেক্ষিক গতি তথা তার কুণ্ডলীর সাথে সংশ্লিষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা/চৌম্বক বলরেখার পরিবর্তনের কারণে কুণ্ডলীর ভেতর ক্ষণস্থায়ী তড়িৎ প্রবাহ এবং ভোল্টেজ বা তড়িচ্চালক শক্তি পাওয়া যায়। এই তড়িৎ প্রবাহ হলো আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহ এবং ভোল্টেজ হলো আবিষ্ট ভোল্টেজ বা আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি। এভাবে আবিষ্ট তড়িৎপ্রবাহ ও আবিষ্ট তড়িচ্চালকশক্তি সৃষ্টি করা যায়।


০৮. ট্রান্সফর্মারের দুটি ব্যবহার লিখো।
উত্তর: ট্রান্সফর্মারের ২টি ব্যবহার নিম্নরূপ:
i. বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় তড়িৎপ্রবাহ ও ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়।
ii. অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য সিগনাল রূপান্তর ও সুরক্ষায় ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়।


০৯. তাড়িতচুম্বক দ্বারা কিভাবে ভারী ধাতব পদার্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর করা যায়?
উত্তর: তাড়িতচুম্বক অনেক শক্তিশালী অস্থায়ী চুম্বক। কোনো তার কুণ্ডলীর মধ্য দিয়ে ধাতব দণ্ড প্রবেশ করিয়ে কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে যন্ত্রটি শক্তিশালী চুম্বকে পরিণত হয় এবং শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে। যতক্ষণ বিদ্যুৎ প্রবাহ চলে ততক্ষণ কুণ্ডলীর চৌম্বকত্ব থাকে এবং বিভিন্ন চৌম্বক পদার্থকে শক্তিশালী চৌম্বক বল দ্বারা আকর্ষণ করে। তাই ভারী ধাতব পদার্থ উত্তোলন বা স্থানান্তরে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়।


১০. ইলেকট্রিক ঘড়িতে স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর: ছোট ডিভাইসগুলো সঞ্চালনের জন্য স্বল্প বিভবের তড়িৎ প্রবাহের প্রয়োজন। তাই উচ্চ বিভবকে যন্ত্রের উপযোগী নিম্ন বিভবে নামিয়ে আনার জন্য স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। এই কারণে ইলেকট্রনিক ঘড়িতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।


১১. এসি ও ডিসি জেনারেটরের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তর: এসি ও ডিসি জেনারেটরের মধ্যে পার্থক্য—
এসি জেনারেটর: যান্ত্রিক শক্তিকে পরিবর্তী/পর্যাবৃত্ত তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তর করে; কুণ্ডলীর দুই প্রান্তে দুটি স্লিপ রিং থাকে; উৎপন্ন বিদ্যুৎ সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে।
ডিসি জেনারেটর: যান্ত্রিক শক্তিকে একমুখী তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তর করে; কুণ্ডলীর দুই প্রান্তে দুটি অর্ধবৃত্তাকার তামার পাত থাকে (কম্যুটেটর); উৎপন্ন বিদ্যুৎ সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না।


১২. কয়েলে পাকসংখ্যা বাড়ালে চৌম্বকক্ষেত্রের কীরূপ পরিবর্তন হয় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: আমরা জানি, তারের মধ্যে দিয়ে যত বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে চৌম্বকক্ষেত্র তত শক্তিশালী হবে। কয়েলের পাকসংখ্যা বাড়ালে প্রতিটি লুপ বিদ্যুতের জন্য চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করবে, ফলে সম্মিলিত চৌম্বকক্ষেত্র অনেক বেশি হবে।


১৩. জেনারেটর ও তড়িৎ মোটরের ২টি পার্থক্য লিখো।
উত্তর:
১. জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়; তড়িৎ মোটরে তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
২. তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি; তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে তড়িৎ মোটর তৈরি।


১৪. তড়িৎচৌম্বকের প্রাবল্য বৃদ্ধি করার ২টি উপায় লিখো।
উত্তর:
i. সলিনয়েডের প্যাঁচের সংখ্যা বাড়িয়ে।
ii. ইংরেজি U অক্ষরের মতো বাঁকিয়ে চুম্বক মেরু দুটিকে আরও কাছাকাছি এনে।


১৫. তড়িৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক কীরূপ হয় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: কোনো তারে তড়িৎপ্রবাহের ফলে উৎপন্ন চৌম্বকক্ষেত্রের দিক হয় তারের লম্বদিকে। ডান হাত মুষ্টিবদ্ধ করে বৃদ্ধাঙ্গুলি তড়িৎ প্রবাহের দিক দেখালে অন্য আঙ্গুলগুলো চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্দেশ করে। যেমন, সোজা তারে প্রবাহ খাড়া নিচের দিকে হলে বলরেখাগুলো ঘড়ির কাঁটার দিকাভিমুখী হবে।


১৬. বৈদ্যুতিক পাখায় তড়িৎ মোটর ব্যবহার করার কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: তড়িৎ মোটর তড়িৎশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। স্থায়ী চুম্বকের মাঝে ঘূর্ণনক্ষম কয়েল (আর্মেচার) থাকে। কয়েলে তড়িৎ প্রবাহিত হলে সৃষ্ট চৌম্বকক্ষেত্র ও স্থায়ী চৌম্বকক্ষেত্রের মিথস্ক্রিয়ায় আর্মেচার ঘোরে। আর্মেচার শ্যাফট ঘোরায় এবং শ্যাফটে পাখার বাহু লাগিয়ে পাখা তৈরি হয়—তাই মোটর ব্যবহার করা হয়।


১৭. আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহের মান চুম্বক ও কুণ্ডলীর মধ্যবর্তী আপেক্ষিক গতির উপর নির্ভরশীল— বর্ণনা করো।
উত্তর: চুম্বক ও কুণ্ডলীর মধ্যে আপেক্ষিক গতি না থাকলে গ্যালভানোমিটারে বিক্ষেপ দেখা যায় না। আপেক্ষিক গতি যত বেশি হয় বিক্ষেপ তত বাড়ে। তাই আপেক্ষিক গতি যতক্ষণ থাকে আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহ ততক্ষণ স্থায়ী হয়—অর্থাৎ এর মান আপেক্ষিক গতির উপর নির্ভর করে।


📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now


১৮. একটি আরোহী ট্রান্সফরমারকে কিভাবে অবরোহী ট্রান্সফর্মারে পরিণত করা যায়।
উত্তর: আরোহী ট্রান্সফর্মারে গৌণ কুণ্ডলীতে পাকসংখ্যা মুখ্য কুণ্ডলীর চেয়ে বেশি থাকে। অবরোহীতে মুখ্য কুণ্ডলীতে পাকসংখ্যা গৌণের চেয়ে বেশি থাকে। তাই আরোহী ট্রান্সফর্মারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা গৌণ কুণ্ডলীর চেয়ে বাড়িয়ে দিলে তা অবরোহী ট্রান্সফর্মারে পরিণত হয়।


১৯. ট্রান্সফর্মার AC না DC কোন প্রবাহে কাজ করে?
উত্তর: ট্রান্সফর্মার DC নয়, AC প্রবাহে কাজ করে। কারণ DC প্রবাহে চৌম্বক বলরেখার পরিবর্তন হয় না, ফলে গৌণ কুণ্ডলীতে তড়িচ্চালক শক্তি আবিষ্ট হয় না। AC-তে পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয় বলে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয়।


২০. ট্রান্সফর্মার যে নীতি বা ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি তা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: ট্রান্সফর্মার তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি। মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তী বিভব প্রয়োগ করলে পরিবর্তী প্রবাহের জন্য চৌম্বক বলরেখা পরিবর্তিত হয়। ফলে গৌণ কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি/প্রবাহ সৃষ্টি হয়। আবিষ্ট তড়িচ্চালকের মান মুখ্য ও গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যার অনুপাতের উপর নির্ভর করে। গৌণে পাক বেশি হলে আরোহী, কম হলে অবরোহী।


২১. বিদ্যুৎ পরিবহনের ক্ষেত্রে স্টেপ আপ ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মারের কাজ কী?
উত্তর: বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার পরে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে ভোল্টেজ বাড়িয়ে তড়িৎ প্রবাহ কমানো হয় যাতে সিস্টেম লস কম হয়। আর বাসাবাড়িতে ব্যবহারের আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার দিয়ে ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহারোপযোগী করা হয়।


২২. তাড়িতচৌম্বক আবেশ একটি তাৎক্ষণিক ঘটনা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: তাড়িতচৌম্বক আবেশ ঘটাতে পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র দরকার। যেমন—বদ্ধ বর্তনীর কাছে চুম্বক দ্রুত নাড়ানো, বা অন্য বর্তনীতে পরিবর্তী প্রবাহ চালানো, বা সমপ্রবাহ বর্তনীকে নড়াচড়া করানো। যতক্ষণ আপেক্ষিক গতি/পরিবর্তনশীল ক্ষেত্র থাকবে ততক্ষণই আবেশ ঘটবে। তাই এটি তাৎক্ষণিক ঘটনা।


২৩. মোটর ও জেনারেটর এর মধ্যে ২টি পার্থক্য লিখো।
উত্তর:
মোটর: তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে; কম্যুটেটর থাকে।
জেনারেটর: যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে; কম্যুটেটর থাকে না।


২৪. কোনো পরিবাহী ধাতব কুণ্ডলীর আশেপাশে চুম্বক নাড়াচাড়া করলে এর সাথে যুক্ত ভোল্টমিটারে বিক্ষেপ দেখা যায় কেন?
উত্তর: চুম্বককে কুণ্ডলীর কাছে নাড়াচাড়া করলে কুণ্ডলীতে আগত-নির্গত চৌম্বক বলরেখা পরিবর্তিত হয়। ফলে তাড়িতচৌম্বক আবেশের মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন হয়। যতক্ষণ নাড়ানো হয় ততক্ষণ প্রবাহ থাকে—তাই সংযুক্ত গ্যালভানোমিটার/ভোল্টমিটারে বিক্ষেপ দেখা যায়। কাছে আনার সময় যে দিকে প্রবাহ হয়, দূরে সরালে বিপরীত দিকে হয়।


২৫. সলিনয়েড দন্ড চুম্বকের মত কাজ করে— ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পেঁচানো (কুণ্ডলী পাঁকানো) পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালালে অধিকাংশ চৌম্বক বলরেখা কুণ্ডলীর কেন্দ্রে ঘনীভূত হয়। এরকম কুণ্ডলীই সলিনয়েড। সলিনয়েডে তারগুলো ঘনভাবে সন্নিবিষ্ট থাকায় বলরেখাগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে দণ্ড চুম্বকের ন্যায় কাজ করে।


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা এখন চাইলে এই সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলো ও অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর জন্য PDF কপি সংগ্রহ করতে পারো। নিচের “Answer Sheet” বোতামে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবে সম্পূর্ণ সমাধান।

Answer Sheet

সকল বিষয়ে সমাধান ও সাজেশন পেতে আমাদের YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি প্রেস করে রাখো এবং সকল গাইড ও সাজেশন মোবাইলে পড়তে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করে নাও। এতে তোমাদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ ও মজার!!

Read More: এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

Codehorse App

Check Also

এস এস সি বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *