এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান তরঙ্গ ও শব্দ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান তরঙ্গ ও শব্দ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের সপ্তম অধ্যায়ের (তরঙ্গ ও শব্দ) গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করব।

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান তরঙ্গ ও শব্দ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর:


০১. দেখাও যে একটি তরঙ্গ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় শক্তিকে নিতে পারে।
উত্তর: আমরা জানি, যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না, তাকে তরঙ্গ বলে। নদীর মাঝখান দিয়ে একটি লঞ্চ যাবার সময় যে ঢেউ তৈরি করে সেই ঢেউ নদীর কূলে এসে আঘাত করে। কাজেই নিশ্চিতভাবে বলা যায় এক্ষেত্রে, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় শক্তি পাঠানো হয়েছে। আবার, আমরা যখন কথা বলি তখন শব্দ শক্তি উৎস থেকে শ্রোতার কাছে পৌঁছায়। এসব ঘটনা – থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, একটি তরঙ্গ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় শক্তিকে নিতে পারে।


০২. শিস দিলে শব্দ হয় কেন?
উত্তর: শব্দ উৎপন্ন হওয়ার প্রধান কারণ হলো কম্পন। শিস দিলে মুখের সামনের বায়ুস্তর কম্পিত হয় যা বিভিন্ন প্রতিবন্ধকে বাধা পেয়ে শব্দ তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। এই শব্দ আমাদের কানে আসলে আমরা শিসের শব্দ শুনতে পাই। এ কম্পনের কম্পাঙ্ক 20 Hz – 20000 Hz এর মধ্যে হলে শব্দ শোনা যায়।


০৩. “তরঙ্গ প্রবাহিত হওয়ার সময় মাধ্যমের কণাসমূহ প্রবাহিত হয় না। নিজ অবস্থানে তার সরল ছন্দিত স্পন্দন হয়” সত্য না মিথ্যা?
উত্তর: সত্য। নদীর মাঝখান দিয়ে লঞ্চ গেলে তরঙ্গ তৈরি হয়। এ তরঙ্গ পাড়ে এসে আঘাত করে। কিন্তু নদীর পানির মধ্যে অবস্থিত কচুরিপানা প্রভৃতি পাড়ে আসে না। একই স্থানে কম্পিত হতে থাকে। এ থেকে বোঝা যায় তরঙ্গ প্রবাহিত হওয়ার সময় মাধ্যমের কণাসমূহ প্রবাহিত হয় না, নিজ অবস্থানে তার সরল ছন্দিত স্পন্দন হয়।


০৪. বজ্রপাত হলে শব্দ হয় কেন?
উত্তর: শব্দ উৎপন্ন হওয়ার প্রধান কারণ হলো কম্পন। বজ্রপাতের সময় দুটি মেঘখন্ডের মধ্যে প্রচণ্ড ঘর্ষণ ঘটে। ফলে মেঘ সংলগ্ন বায়ুস্তর কম্পিত হয়। এ কম্পনের জন্যই বজ্রপাত হলে শব্দ হয়।


০৫. বাদুড় ওড়ার সময় আলট্রাসাউন্ড শব্দ তৈরি না করে ইনফ্রা-সাউন্ড শব্দ তৈরি করলে বাদুড়ের কী সমস্যা হতো?
উত্তর: প্রথমত বাদুড় ইনফ্রা-সাউন্ড শুনতে পারে না। বাদুড় যদি ইনফ্রা-সাউন্ড শুনতেও পারতো তবুও ক্ষুদ্র বস্তু, সরু তার প্রভৃতি এটি সনাক্ত করতে পারতো না। কারণ ইনফ্রা-সাউন্ডের তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুবই বড়। ক্ষুদ্র বা সরু বস্তু থেকে এটি প্রতিফলিত হতো না বা হলেও সনাক্ত করা খুবই সমস্যা হতো। ফলে বাদুড় ইনফ্রা সাউন্ড তৈরি করলে পথ চলতে পারতো না।


০৬. তরঙ্গ কীভাবে শক্তি স্থানান্তর করে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না, তাকে তরঙ্গ বলে। তরঙ্গ সঞ্চালনের সময় মাধ্যমে একটি কণা কম্পন শুরু করলে এটি পাশের কণাটিকে কম্পিত করে। ক্রমান্বয়ে বাকী কণাগুলোর মধ্যেও এ কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। তরঙ্গ এভাবেই শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে।


০৭. তরঙ্গ সঞ্চালনে মাধ্যমের কণার সরণ কীভাবে হয়?
উত্তর: তরঙ্গ সঞ্চালনের সময় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শক্তির সঞ্চালন ঘটে। অনুপ্রস্থ তরঙ্গের ক্ষেত্রে মাধ্যমের কণা গুলোর নিজ অবস্থান থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব উপরে নিচে উঠা নামা করে। অপরদিকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে কণাগুলোর নিজ অবস্থান থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে সংকোচন ও প্রসারণ ঘটে। নিজ অবস্থান থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে কণাগুলোর উঠা নামা বা সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমেই কণাগুলোর সরণ হয়।


০৮. বজ্রপাতের সময় শব্দ কীভাবে তৈরী হয়?
উত্তর: বজ্রপাতের সময় মেঘের চার্জঅনেক বেশী পরিমাণে থা কে যা বাতাসকে আয়নিত করে আলোর বেগে মাটিতে নেমে আসে। এ বিপুল পরিমাণ চার্জবাতাসকে আয়নিত করার সময় প্রচণ্ড তাপ ও শব্দ সৃষ্টি হয়।


০৯. বাদুর ইনফ্রাসাউন্ড শব্দ ব্যবহার করে চলাচল করে না কেন?
উত্তর: ইনফ্রাসাউন্ড শব্দের কম্পাঙ্ক খুবই কম। ফলে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অনেক বেশি। ফলে সঞ্চালনের সময় এটি চারদিকে বেশি শক্তি অপচয় করে। এজন্য ইনফ্রাসাউন্ড শক্তি বেশি দূর সঞ্চালিত হয় না বিধায় প্রতিফলিত শব্দও পাওয়া যায় না। এজন্য বাদুর চলাচলের জন্য ইনফ্রা সাউন্ড শব্দ ব্যবহার করে না।


১০. তরঙ্গ সঞ্চালনের সময় কী কী বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
উত্তর: তরঙ্গ সঞ্চালনের সময় নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রদর্শন করে-
(i) মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় কিন্তু কণাগুলোর স্থায়ী স্থানান্তর হয় না।
(ii) যান্ত্রিক তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন।
(iii) তরঙ্গ একস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালন করে।
(iv) তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
(v) তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন ঘটে।


১১. প্রতিধ্বনির কয়েকটি ব্যবহার লেখো।
উত্তর: প্রতিধ্বনির কয়েকটি ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-
i. প্রতিধ্বনির ব্যবহার দ্বারা কূপের বা সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা সম্ভব।
ii. বাদুরসহ বেশ কয়েকটি প্রাণী প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে পথ চলে।
iii. শব্দের বেগ জানা থাকলে প্রতিধ্বনির ধর্মব্যবহার করে দূরবর্তী পাহাড়, দেওয়াল ও অন্যান্য প্রতিফলকের দূরত্ব নির্ণয় করা যায়।
iv. সাবমেরিন ও প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে চলাচল করে।
v. পক্ষান্তরে প্রতিফলকের দূরত্ব জানা থাকলে প্রতিধ্বনির মাধ্যমে শব্দের বেগ নির্ণয় করা সম্ভব।


১২. শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি ও তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল কেন?
উত্তর: শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। কারণ মাধ্যমের প্রকৃতি: বিভিন্ন মাধ্যম শব্দের বেগ বিভিন্ন মাধ্যমের ঘনত্ব যত বাড়ে, শব্দের বেগ ও তত বৃদ্ধি পায়। উদাহরণস্বরূপ, 20°C তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ 344 ms, পানিতে 1450 ms এবং লোহায় 5130 ms। সাধারণভাবে বলা যায় বায়ুতে শব্দের বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি আর কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি।
তাপমাত্রা: বায়ুর তাপমাত্রা যত বাড়ে বায়ুতে শব্দের বেগও তত বাড়ে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পন সহজতর হয়। ফলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। এজন্য শীতকাল অপেক্ষা গ্রীষ্মকালে শব্দের বেগ বেশি।


১৩. শব্দ দূষণ কাকে বলে? এর কারণগুলো কী কী লেখো?
উত্তর: বিভিন্ন উৎস থেকে জোরালো এবং অপ্রয়োজনীয় শব্দ যখন মানুষের সহনশীলতার মাত্রা ছাড়িয়ে বিরক্তি ঘটায় এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধন করে তখন তাকে শব্দ দূষণ বলে। অর্থাৎ মানুষের সহনীয় শ্রবণ সীমার উপরের কোনো শব্দ মানুষের কানে যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। মাইকের অবাধ ব্যবহার, পটকা ফাটানোর আওয়াজ, কল কারখানার শব্দ, গাড়ির হর্ণের আওয়াজ, উজোজাহাজ ও যুদ্ধ বিমানের তীব্র শব্দের কারণে পরিবেশে শব্দ দূষণ হয়।


১৪. শব্দ দূষণের ফলে কী কী শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে?
উত্তর: অবিরাম তীব্র শব্দ মানসিক উত্তেজনা বাড়ায় ও মেজাজ খিটখিটে করে। শব্দ দূষণ বমি বমি ভাব, ক্ষুধা-মন্দা, রক্তচাপ বৃদ্ধি, হৃদপিন্ড ও মস্তিষ্কের জটিল রোগ, অনিদ্রাজনিত অসুস্থতা, ক্লান্তি ও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়া, কর্মক্ষমতা হ্রাস, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মাথা ঘোরা প্রভৃতি ক্ষতিকারক প্রভাব সৃষ্টি করে। হঠাৎ তীব্র শব্দ মানুষের শ্রবণশক্তি নষ্ট করতে পারে।


১৭. দৃঢ় অবলম্বনের সাথে আটকে একটি স্প্রিং কে টেনে ছেড়ে দেয়া হলে এর স্পন্দন কেমন প্রকৃতির হবে তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: একটি স্লিংকিকে এক প্রান্তে একটি দৃঢ় অবলম্বনের সাথে আটকে অন্য প্রান্ত টেনে ছেড়ে দেওয়া হলে দেখা যাবে এর কুণ্ডলীগুলো পর্যায়ক্রমে সংকুচিত ও প্রসারিত হচ্ছে। এই কম্পন স্লিংকি এর দৈর্ঘ্য বরাবর সমান্তরালে সঞ্চালিত হচ্ছে বলে দেখা যাবে। যেহেতু তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হচ্ছে তাই এটি অনুদৈর্ঘ্য বা লম্বিক তরঙ্গ।


📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now


১৮. বজ্রপাতের শব্দ অনেকক্ষণ পর শুনতে পাওয়া যায় কেন?
উত্তর: বজ্রপাতের সময় যে আলো দেখা যায় তার বেগ শব্দের বেগের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বজ্রপাতের আলো তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের চোখে পৌছালেও শব্দ পৌছাতে কিছুটা সময় নেয়। এজন্য বজ্রপাত দেখার বেশ কিছুক্ষণ পরে শব্দ শোনা যায়।


১৯. চানাচুর বিক্রেতারা প্লাস্টিকের চোঙ ব্যবহার করে প্রচার চালায় কেন?
উত্তর: চোঙ আকৃতির উৎস শব্দ তরঙ্গকে ঘনীভূত করতে পারে। ফলে শব্দটি তীক্ষ্ণ হয় এবং অনেক দূর পর্যন্ত পৌছাতে পারে এজন্য চানাচুর বিক্রেতারা প্লাস্টিকের চোঙ ব্যবহার করে প্রচার চালায়।


২১. চাঁদে নভোচারীরা একজন আরেকজনের কথা সরাসরি শুনতে পারবে কি?- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: শব্দ তরঙ্গ যান্ত্রিক তরঙ্গ হওয়ায় এর চলাচল করার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। পৃথিবীতে বাতাস মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব সহজ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। কিন্তু চাঁদে এরূপ কোনো মাধ্যম বাতাস মাধ্যম নেই বলে শব্দ তরঙ্গ চলাচল করতে পারে না। তাই চাঁদে নভোচারীরা একজন আরেকজনের কথা সরাসরি শুনতে পারবে না।


২২. নয়েস-ক্যান্সেলিং হেডফোন কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: তরঙ্গের উপরিপাতন ব্যবহার করে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন কাজ করে। নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোনের কাছে বাহিরের নয়েস পৌছালে এটি ঠিক বিপরীত ধর্মী তরঙ্গ উৎপন্ন করে ছড়িয়ে দেয়। ফলে এই পরস্পর বিপরীত ধর্মী তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে সে নয়েস আর হেডফোনের ভিতরে পৌছায় না, আগেই নিঃশেষ হয়ে যায়। এভাবেই নয়েস-ক্যান্সেলিং হেডফোন কাজ করে।


২৩. টিনের বাটি মেঝেতে পড়ে গেলে শব্দ শোনা যায় কেন?
উত্তর: টিনের বাটি মেঝেতে আঘাত করলে এর অণুগুলো কম্পিত হয়ে শব্দ সৃষ্টি করে। এই শব্দ কম্পন এর চারপাশের বায়ুস্তম্ভকে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে আন্দোলিত করে। এই আন্দোলন আমাদের কানে এসে পৌছালে আমরা শব্দ শুনতে পাই।


২৪. একটি টিউনিং ফর্ক এর একটি বাহুতে মোম লাগিয়ে দিলে এর কম্পাঙ্কের কীরূপ পরিবর্তন ঘটবে?
উত্তর: বস্তুর ভর বৃদ্ধি পেলে এর কম্পনের প্রবণতা কমে যায়, অর্থাৎ, কম্পাঙ্ক কমে যায়। টিউনিং ফর্কের একটি বাহুতে মোম লাগিয়ে দিলে এর ভর বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে এর কম্পাঙ্ক কমে যাবে।


২৫. একই মাত্রায় কথা বললেও পুরুষদের তুলনায় নারীদের কথা দূর থেকে শোনা যায় কেন?
উত্তর: পুরুষদের তুলনায় নারীদের স্বরযন্ত্রের ভোকাল কর্ডে উৎপন্ন শব্দের কম্পাঙ্ক বেশি হয়। কম্পাঙ্ক বেশি হলে কম শক্তি ব্যয় করে শব্দ অনেক বেশি দূরত্বে যেতে পারে। ফলে পুরুষদের তুলনায় নারীদের কথা অনেক দূর থেকে শোনা যায়।


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা এখন চাইলে এই সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলো ও অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর জন্য PDF কপি সংগ্রহ করতে পারো। নিচের “Answer Sheet” বোতামে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবে সম্পূর্ণ সমাধান।

Answer Sheet

সকল বিষয়ে সমাধান ও সাজেশন পেতে আমাদের YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি প্রেস করে রাখো এবং সকল গাইড ও সাজেশন মোবাইলে পড়তে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করে নাও। এতে তোমাদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ ও মজার!!

Read More: এসএসসি আলোর প্রতিফলন সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

Codehorse App

Check Also

এস এস সি বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *