চতুর্থ শ্রেণীর বিশ্বপরিচয় একাদশ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর: ভূপ্রকৃতি হচ্ছে কোনো দেশের ভূমির গঠন ও অবস্থা, বিশেষ করে সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমির উচ্চতার তারতম্য।
পাহাড়ি অঞ্চল:
আমাদের দেশের বেশির ভাগ স্থান সমতল ভূমি দ্বারা গঠিত। তবে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে কিছু পাহাড় আছে। দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়গুলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম তাজিনডং। এর উচ্চতা প্রায় ১২৮০ মিটার। তৃতীয় উঁচু পাহাড়ের নাম কেওক্রাডং। এর উচ্চতা ৯৮৬ মিটার। এ দুইটি পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এই পাহাড়ি এলাকায় বনভূমি আছে। এই বনভূমি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।
(প্লাইস্টোসিন) চত্বর/সোপান ভূমি:
পাহাড়ি এলাকা থেকে নিচু এসব উঁচু ভূমি পুরাতন পলি দিয়ে গঠিত। নদীর স্রোতে বয়ে আসা পলিমাটি জমা হয়ে এসব ভূমি তৈরি হয়েছে। মানচিত্রে এই উঁচু ভূমিকে নীল রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব উঁচু এলাকার মধ্যে রয়েছে উত্তরবঙ্গের বরেন্দ্রভূমি, টাঙ্গাইলের মধুপুর গড় ও কুমিল্লার লালমাই পাহাড়।
সমভূমি:
সমভূমি নতুন পলি দিয়ে গঠিত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে কিছুটা ঢালু। এই সমভূমির উপর দিয়ে বয়ে গেছে অনেক নদী এবং এই ভূমিতে প্রায়ই বন্যা হয়। তাই নতুন পলি গঠিত সমভূমির মাটি খুব উর্বর।
চতুর্থ শ্রেণীর বিশ্বপরিচয় একাদশ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর:
অল্প কথায় উত্তর:
প্রশ্ন-১। বাংলাদেশের নদীগুলো কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
উত্তর: বাংলাদেশের নদীগুলো বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
প্রশ্ন-২। আমাদের দেশে কয়টি ঋতু আছে?
উত্তর: আমাদের দেশে ছয়টি ঋতু আছে।
প্রশ্ন-৩। আমাদের দেশে জলাভূমির ম্যানগ্রোভ বন কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: আমাদের দেশে জলাভূমির ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে অবস্থিত।
প্রশ্ন-৪। সেখানে কোন কোন প্রাণী পাওয়া যায়?
উত্তর: সেখানে পৃথিবী বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বন্যশূকর, সজারু, পাখি, কুমির, সাপ ইত্যাদি প্রাণী পাওয়া যায়।
প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
প্রশ্ন-১। বাংলাদেশের সমুদ্রসৈকতগুলোতে বেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে তুমি কী কী করবে?
উত্তর: বাংলাদেশের সমুদ্র সৈকতগুলোতে বেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে আমি যা করব:
১. সমুদ্র সৈকতগুলোর সৌন্দর্যের কথা সকলকে জানাব।
২. সহপাঠীদের নিয়ে প্রচারণা চালাব।
৩. সময় কাটানোর জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিব।
৪. সমুদ্র সৈকতগুলোর পরিবেশ নষ্টের বিরুদ্ধে সজাগ থাকব।
৫. সেখানকার সুযোগ-সুবিধার কথা শিশুদের পাতায় তুলে ধরব।
প্রশ্ন-২। সমুদ্র সৈকতগুলো রক্ষায় তুমি কী কী করতে পার?
উত্তর: সমুদ্র সৈকতগুলো রক্ষায় আমি নিচের কাজগুলো করতে পারি:
১. সমুদ্র সৈকত রক্ষায় পাকা সড়ক নির্মাণের কথা সকলকে বলব।
২. সমুদ্র সৈকতগুলো রক্ষায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে পারি।
৩. ক্যান, প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, উচ্ছিষ্ট খাদ্যদ্রব্য সৈকত এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করতে পারি।
৪. সমুদ্র সৈকতগুলো রক্ষায় প্রচারণা চালাতে পারি।
৫. সমুদ্রের তীরে পরিচ্ছন্নতার অভিযান শুরু করতে পারি।
অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর:
১. মনে কর, তোমার বাড়ি বন্দরবান। তোমার এলাকার উঁচু ভূমিগুলো কী মাটি দিয়ে গঠিত?
ক. বেলে
খ. এঁটেল
গ. দোআঁশ
ঘ. পলি √
২. সাধারণত কোনো দেশের ভূমির গঠন, অবস্থা ও উচ্চতার তারতম্যকে আমরা বলি-
ক. ভূপ্রকৃতি √
খ. ভূমি
গ. মাটি
ঘ. পাহাড়
৩. ‘কেওক্রাডং’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চ পর্বত। এ পাহাড়ের উচ্চতা কত?
ক. ১,২২০ মি
খ. ১,২২৫ মি
গ. ১,২৩০ মি √
ঘ. ১,২৩৫ মি
৪. তুমি বাংলাদেশের কোনদিকে গেলে বঙ্গোপসাগর দেখতে পাবে?
ক. উত্তর
খ. পশ্চিম
গ. দক্ষিণ √
ঘ. পূর্ব
৫. গ্রীষ্মকালে, আমাদের দেশে তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। তখন তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে?
ক. ৩০
খ. ৩৪
গ. ৩২
ঘ. ৩৫ √
শূন্যস্থান পূরণ:
প্রশ্ন-১। আমাদের দেশের অধিকাংশ স্থান —।
উত্তর: সমতল।
প্রশ্ন-২। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম —।
উত্তর: তাজিনডং।
প্রশ্ন-৩। তাজিনডংয়ের উচ্চতা —।
উত্তর: ১২৮০ মিটার।
প্রশ্ন-৪। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড় — জেলায় অবস্থিত।
উত্তর: বান্দরবান।
প্রশ্ন-৫। আমাদের দেশের সমভূমির উপর দিয়ে বয়ে গেছে অনেক —।
উত্তর: নদী।
প্রশ্ন-৬। আমাদের দেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত —।
উত্তর: বর্ষাকাল।
প্রশ্ন-৭। বাংলাদেশের জলবায়ুকে — ভাগে ভাগ করা যায়।
উত্তর: তিন।
প্রশ্ন-৮। এপ্রিল ও মে মাসে — ঝড় হয়।
উত্তর: কালবৈশাখি।
প্রশ্ন-৯। বর্ষাকালের পর — কমতে থাকে।
উত্তর: তাপমাত্রা।
প্রশ্ন-১০। বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে বেশ — পড়ে।
উত্তর: শীত।
শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয়:
১. ভূ-প্রকৃতি হচ্ছে কোনো দেশের ভূমির গঠন ও অবস্থা।
২. বাংলাদেশের বেশিরভাগ স্থান সমতল ভূমি দ্বারা গঠিত।
৩. সমভূমি নতুন পলি দিয়ে গঠিত।
৪. বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম কেওক্রাডং।
৫. জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত শীতকাল।
৬. বর্ষা ঋতুতে বাংলাদেশে ২০৩ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।
৭. কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকত।
৮. তাজিনডং এর উচ্চতা প্রায় ১২৮০ মিটার।
৯. ঢাকা থেকে কুয়াকাটার দূরত্ব প্রায় ৩৫০ কি.মি.।
১০. রাঙামাটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কাপ্তাই হ্রদ।
উত্তর: ১. শুদ্ধ; ২. শুদ্ধ; ৩. শুদ্ধ; ৪. অশুদ্ধ; ৫. অশুদ্ধ; ৬. শুদ্ধ; ৭. শুদ্ধ; ৮. শুদ্ধ; ৯. অশুদ্ধ; ১০. শুদ্ধ।
৪. মিলকরণ: ⮯
| গাইড ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করো 👉 Install Now |
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন-১। ভূ-প্রকৃতি বলতে তুমি কী বোঝ?
উত্তর: ভূ-প্রকৃতি বলতে বুঝি কোন দেশের ভূমির গঠন ও অবস্থা এবং সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমির উচ্চতার তারতম্য।
প্রশ্ন-২। বাংলাদেশের উঁচু ভূমি কীভাবে গঠিত হয়েছে বলে তুমি মনে কর? অথবা, বাংলাদেশের উঁচু ভূমি কীভাবে তৈরি হয়েছে?
উত্তর: নদীর স্রোতে বয়ে আসা পলি দিয়ে বাংলাদেশের উঁচু ভূমি গঠিত হয়েছে।
প্রশ্ন-৩। তোমার মতে বাংলাদেশের সমভূমি অঞ্চলের মাটি খুব উর্বর কেন?
উত্তর: বাংলাদেশের সমভূমি অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে গেছে অসংখ্য নদী। তাই সমভূমি অঞ্চলে প্রায়ই বন্যা হয়। বন্যায় সমভূমি অঞ্চলের মাটিতে পলি জমা হয় আর তাই মাটি খুবই উর্বর হয়।
প্রশ্ন-৪। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় তুমি কোথায় গেলে দেখতে পাবে?
উত্তর: বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় আমি বান্দরবান জেলায় গেলে দেখতে পাব।
প্রশ্ন-৫। তোমার মতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু দুটি পাহাড়ের নাম লেখ।
উত্তর: আমার মতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু দুটি পাহাড়ের নাম হলো: (১) তাজিনডং ও (২) কেওক্রাডং।
প্রশ্ন-৬। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়গুলো কোন কোন জেলায় অবস্থিত?
উত্তর: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়গুলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
প্রশ্ন-৭। বাংলাদেশের নদীগুলো কোন সাগরে পতিত হয়েছে বলে তুমি জান?
উত্তর: বাংলাদেশের নদীগুলো বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে বলে আমি জানি।
প্রশ্ন-৮। কীসের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জলবায়ুর পার্থক্য নির্ধারিত হয়ে থাকে বলে তুমি মনে কর?
উত্তর: তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জলবায়ুর পার্থক্য নির্ধারিত হয়ে থাকে।
প্রশ্ন-৯। তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের উপর ভিত্তি করে তুমি জলবায়ুকে কয় ভাগে ভাগ করবে?
উত্তর: তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের উপর ভিত্তি করে জলবায়ুকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (১) গ্রীষ্মকাল, (২) বর্ষাকাল ও (৩) শীতকাল।
প্রশ্ন-১০। কীসের প্রভাবে আমাদের দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়?
উত্তর: মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আমাদের দেশের প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন-১। সুন্দরবন কোথায় অবস্থিত? এ বনের নাম সুন্দরবন হয়েছে কেন? তুমি কেন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে সুন্দরবন ঘুরতে যাবে? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের তীরে সুন্দরবন অবস্থিত।
সুন্দরবনে প্রচুর সুন্দরী গাছ রয়েছে, আর এ সুন্দরি গাছের নাম অনুসারে এ বনের নাম সুন্দরবন হয়েছে।
বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে আমি যে কারণে সুন্দরবন দেখতে যাব তা হলো:
১. এটি পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বন।
২. এ বনে পৃথিবীর বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাস করে।
৩. সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য দেখে আমি আমার জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারব।
৪. ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্বের একটি অন্যতম ঐতিহ্য বলে স্বীকৃতি দেয়।
প্রশ্ন-২। বাংলাদেশ কোন সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি বলে তুমি মনে কর? বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে দেশ সম্পর্কে তোমার মনে কী অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে পাঁচটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে দেশ সম্পর্কে আমার মনে যে অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে তা পাঁচটি বাক্যে লেখা হলো:
১. বাংলাদেশ বিশ্বের একটি সুন্দর দেশ যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।
২. এর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছে নানা সৌন্দর্য যা সবাইকে মুগ্ধ করে।
৩. আমার দৃষ্টিতে সুন্দরবনের মতো এত প্রাকৃতিক নিদর্শনসমৃদ্ধ বন আর পৃথিবীর কোথাও নেই।
৪. রাঙামাটির সৌন্দর্য যেমন আমাদের মুগ্ধ করে, তেমনি সেন্টমার্টিনের প্রবাল দ্বীপ বার বার আমাদের তার কাছে ডাকে।
৫. জাফলং এর পাহাড়ঘেরা সবুজ বন যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।
প্রশ্ন-৩। বাংলাদেশে কোন ঋতুতে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যায়? সেই ঋতুর পাঁচটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর: বাংলাদেশে শীত ঋতুতে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। বাংলাদেশের শীত ঋতুর পাঁচটি বৈশিষ্ট্য হলো:
১. বর্ষা ঋতুর পরে বাংলাদেশের তাপমাত্রা কমতে থাকে।
২. নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীত ঋতু স্থায়ী হয়।
৩. কোনো কোনো বছর বেশি শীত পড়ে।
৪. জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে।
৫. শীতকালে গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রশ্ন-৪। কোন কোন মাস নিয়ে গ্রীষ্মকাল হয়? এ সময় উষ্ণতা সবচেয়ে বেশি হয় কেন? গ্রীষ্ম ঋতুতে আমাদের দেশের জলবায়ু কেমন থাকে? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস নিয়ে গ্রীষ্মকাল হয়।
গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকায় উষ্ণতা সবচেয়ে বেশি হয়। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা সাধারণত ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। তবে কোনো কোনো দিন তাপমাত্রা এর চেয়েও বেশি হয়। এপ্রিল মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে। এটি বছরের সবচেয়ে উষ্ণ মাস।
প্রশ্ন-৫। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল কোথায় অবস্থিত? দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়গুলো যেসব জেলায় অবস্থিত তার নাম বল। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল সম্পর্কে তুমি কী জান? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়গুলো যেসব জেলায় অবস্থিত সেগুলো হলো- খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম।
দক্ষিণ-পূর্ব দিকেই বাংলাদেশের অধিকাংশ পাহাড় অবস্থিত। এসব পাহাড় টারশিয়ারি যুগে গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম তাজিনডং। এর উচ্চতা প্রায় ১২৮০ মিটার।
প্রশ্ন-৬। কোন জেলার পাশ দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ বয়ে গেছে বলে তুমি জান? রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কীরূপ? পাঁচটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: রাঙামাটি জেলার পাশ দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ বয়ে গেছে।
রাঙামাটি বাংলাদেশের একটি পাহাড়ি জেলা। রাঙামাটি সবুজ পাহাড়, বন ও লেকে ঘেরা একটি সুন্দর জায়গা ও জনপ্রিয় অবকাশ কেন্দ্র। মাছ ধরা, ঘুরে বেড়ানো ও গোসল করার জন্য জনপ্রিয়। চাকমা, মারমা ও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বাসস্থান রাঙামাটি। তাই এখানে তাদের হাতে বানানো পোশাক ও হাতির দাঁতের গহনা পাওয়া যায়।
Codehorse Learn Free