SSC ICT MCQ & Short Question
SSC ICT Question

এসএসসি আইসিটি প্রথম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

এসএসসি আইসিটি প্রথম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধ্যায় ১ – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আমাদের বাংলাদেশ এই অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন আলোচনা করব ।

 

০১. বাংলাদেশের বেকার সমস্যা দূর করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কী কী সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে? বর্ণনা কর।

উত্তর: সারাবিশ্বে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দৈনন্দিন কর্মক্ষেত্রে সৃষ্টি হয়েছে এক অভূতপূর্ব সুযোগ। কলসেন্টার, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ফ্রিল্যান্সিং, হার্ডওয়‍্যার, সফটওয়‍্যার থেকে শুরু করে ওয়েবসাইট নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি এখন নতুন দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি বিরাট কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে।
কলসেন্টারের সাহায্যে বিশ্বের যেকোনো মানুষ’ তার প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারছে। ফলে উক্ত কলসেন্টারে প্রচুর জনবল প্রয়োজন হচ্ছে। ই-স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু হওয়ার ফলে জনগণ তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা চিকিৎসক এর’ কাছ থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিতে পারছে। ফলে উক্ত সেবা কেন্দ্রে প্রচুর জনবল প্রয়োজন হচ্ছে। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে উন্নত দেশগুলোর বড় বড় কোম্পানি নিজেদের দেশে কর্মীর দুষ্প্রাপ্যতার উচ্চ মজুরি ও সময়ের ব্যবধানের কারণে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের কর্মীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে। বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির উন্নত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে কেউ কেউ বিশ্বের নামকরা অনেক সফটওয়‍্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যেমন-মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুক, আইবিএম, অ্যাপল, স্যামসাং ইত্যাদি কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক দক্ষ কর্মী ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আমেরিকা, কানাডা, ব্রিটেনের মতো দেশগুলোর বড় বড় কোম্পানিতে কাজ করছে। যা আমাদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে। তাই বলা যায় যে, বাংলাদেশ বেকার সমস্যা দূর করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

 

০২. কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলার জাদুর চর গ্রামের মিলন গ্রামে বসেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কীভাবে তাকে সাহায্য করতে পারে?

উত্তর: কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলার জাদুর চর গ্রামের মিলন গ্রামে বসেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। এজন্য তাকে যে পদ্ধতির সাহায্য নিতে হবে সেই পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলে। ই-লার্নিং হচ্ছে ইলেকট্রনিক লার্নিং এর সংক্ষিপ্ত রূপ। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ই-লার্নিং বলতে পাঠদান করার জন্য সিডি রম, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক কিংবা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার কারার পদ্ধতিকে বোঝায়। বর্তমানে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। যে কেউ সেই কোর্সটি গ্রহণ করতে পারে। ফলে মিলন উচ্চশিক্ষার কোর্স অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু সেজন্য তার কাছে অবকাঠামোগত সক্ষমতা থাকতে হবে। যেমন-কম্পিউটার, মডেম, ইন্টারনেট স্পিড ইত্যাদি। মিলন উক্ত শিখনসামগ্রী ব্যবহার করে ভর্তি হওয়া প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে, হোমওয়ার্ক জমা দেওয়া এবং অনলাইনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে। অর্থাৎ, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিলন গ্রামে থেকেই উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারবে।

 

০৩. একুশ শতকে টিকে থাকার জন্য কোনটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা হিসেবে দ্রুত স্থান করে নিচ্ছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: একুশ শতকে টিকে থাকার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা হিসেবে স্থান করে নিচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রাথমিক বিষয়গুলো জানা থাকলে সহজে মানুষ সেসব ব্যবহার করতে পারবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিশাল বৈচিত্র্যের জগতে প্রবেশ করতে পারবে। আধুনিক পৃথিবীর সম্পদ হলো তথ্য। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা ছাড়া একজন ব্যক্তি তথ্য সংগ্রহ বিশ্লেষণ, সংযোজন ও মূল্যায়ন করে নতুন তথ্য সৃষ্টি করতে পারবে না। এক কথায় এই পারদর্শিতা ছাড়া একজন ব্যক্তি একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক সমাজে স্থান করে নিতে পারবে না।

০৪. নিয়াজ বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা যায় এবং সেখানকার নাগরিকত্ব লাভ করে। নিয়াজের বাংলাদেশের অধিবাসী হয়েও কানাডার নাগরিকত্ব লাভ কোন নিয়মটির সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: নিয়াজের বাংলাদেশের অধিবাসী হয়েও কানাডার নাগরিকত্ব লাভের বিষয়টি আন্তর্জাতিকতা (Internationalization)-এর সাথে সম্পর্কিত। বিশ্বায়ন (Globalization)-এর কারণে বর্তমানে যেকোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানা নিজ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ সহজে এক দেশ থেকে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে। এক দেশের অধিবাসী হয়েও অন্য দেশে গিয়ে বাস করছে, সেই দেশের নাগরিকত্ব লাভ করছে। এই বিষয়টিই হলো আন্তর্জাতিকতা, যা নতুন পৃথিবীর একটি অলিখিত নিয়ম। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এই অলিখিত নিয়ম তথ্য তথা আন্তর্জাতিকতাকে আরো ত্বরান্বিত করেছে।

গাইড ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করো 👉 Install Now

এসএসসি আইসিটি প্রথম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন:


০৫. আরপানেটের আবিষ্কার ও বিকাশ সম্পর্কে লিখ।

উত্তর: বিশ শতকের ষাট সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেট আবিষ্কার করা হয়। আরপানেট আবিষ্কারের পর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বিকশিত হতে শুরু করে। এই বিকাশের মাধ্যমে পরবর্তীতে ইন্টারনেট তৈরি
হয়। মূলত আরপানেটই হলো ইন্টারনেটের প্রযুক্তিগত ভিত্তি। ১৯৭১ সালে আমেরিকান প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন আরপানেট ব্যবহার করে প্রথম ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন।

 

০৬. রাহার স্কুলে সম্প্রতি ই-লার্নিং পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে। শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ই-লার্নিং-এর ভূমিকা সম্পর্কে লেখো।

উত্তর: তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ই-লার্নিং এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা নিচে আলোচনা করা হলো-
শ্রেণিকক্ষে বিজ্ঞানের কোনো বিষয় পড়ানোর সময় অনেক কিছু হাতে কলমে দেখানো সম্ভব হচ্ছে।
শ্রেণিকক্ষে পাঠ দিতে শিক্ষক ইচ্ছে করলে মাল্টিমিডিয়ার সাহায্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটা এক্সপেরিমেন্ট করিয়ে দেখাতে পারছেন।
দক্ষ একজন শিক্ষকের পাঠদান ভিডিও করে নিয়ে সেটি অসংখ্য স্কুলে বিতরণ করে শিক্ষার্থীদের দেখানো সম্ভব হচ্ছে।
বর্তমানে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন ঘরে বসে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারে।
অজানা বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেটের সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিতে পারে।

 

০৭. ই-লার্নিং প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির বিকল্প নয়, পরিপূরক-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ই-লার্নিং অর্থাৎ ইলেকট্রনিক লার্নিং বলতে প্রচলিত পাঠদানের জন্য ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক, সিডিরম, টেলিভিশন চ্যানেল ইত্যাদি ব্যবহার করার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে পাঠদান আধুনিক ও সহজ হলেও এটি মোটেও প্রচলিত পদ্ধতির বিকল্প। নয়। প্রচলিত পাঠদানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পরস্পরকে সরাসরি দেখতে পায়, সামনাসামনি কথা বলতে ও ভাব বিনিময় করতে পারে। শিক্ষার্থীরা সামনাসামনি শিক্ষকে প্রশ্ন করতে পারে এবং শিক্ষক তা হাতে কলমে বুঝিয়ে দিতে পারেন। শিক্ষার্থীরা পাশাপাশি থেকে পাঠের বিষয়ে একে অন্যকে সাহায্য করতে পারে, সহযোগী হয়ে শিখতে পারে। যেগুলো ই-লার্নিং প্রক্রিয়ায় অনুপস্থিত থাকে। তবে শিক্ষার অনেক জটিল বিষয় যা প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতিতে দেখানো যায় না তা ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে সহজে ও বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করা যায়, ঘরে বসে অনলাইন কোর্স করা যায়, পাঠদানের ভিডিও রেকর্ড করে পরবর্তীতে যতবার ইচ্ছা দেখা যায়। এসব কারণে একে প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পরিপূরক বলা যায়।

 

০৮. বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি শাসন ব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রয়োগ হচ্ছে। এটিকে কী বলে? দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: সরকারি ও বেসরকারি শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির ‘প্রয়োগ হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স। নিম্নে এর দুটি উদাহরণ দেওয়া হলো-
১. ই-গভর্ন্যান্স এর জন্য বর্তমানে যে কোনো উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ভর্তির আবেদন না করে শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোনের এসএমএস-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারছে।
২. পূর্বে যেকোনো পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার সাত দিন পরেও দূরবর্তী গ্রামে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা তা জানতে পারত না। কিন্তু বর্তমানে ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেট ও মোবাইল, ফোনের এসএমএস এর মাধ্যমে তা সবাই জানতে পারে।

 

০৯. রহিম তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পানি ও গ্যাস বিল পরিশোধ করলেন। রহিমের বিল প্রদানে ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগ কীসের উদাহরণ? এর দুটি সুবিধা লেখো।

উত্তর: রহিমের পানি ও বিদ্যুৎ বিল প্রদানে ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগ হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স এর উদাহরণ। শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স। ই-গভর্ন্যান্সের ফলে বর্তমানে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানা যায়। ই-গভর্ন্যান্স চালুর ফলে সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে, কর্মীদের দক্ষতাও বেড়েছে। ফলে দ্রুত সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে।

 

১০. শিহাব রেলস্টেশনে না গিয়ে বাসায় বসে কম্পিউটারে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করলো। শিহাবের টিকিট কাটার পদ্ধতিটি কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শিহাবের টিকিট কাটার পদ্ধতি হচ্ছে ই-টিকেটিং। ই-টিকেটিং হচ্ছে ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাস, ট্রেন, লঞ্চ, বিমান ইত্যাদির টিকেট ক্রয় করার ব্যবস্থা বা পদ্ধতি।
বাংলাদেশে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট, ভিআইপি লঞ্চ এর টিকেট, বাস ও বিমানের টিকেট বর্তমানে অনলাইন থেকে অথবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রয় করা সম্ভব। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট বুকিং যেমন করা যায় তেমনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকাও পরিশোধ করা যায়। ফলে সশরীরে না গিয়েই যাত্রীরা টিকেট কাটতে পারছেন।

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, ২১ টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন সম্বলিত PDF টি ডাউনলোড করে নাও । নিচের “Answer Sheet” বোতামে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবে সম্পূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন সমাধান।

Answer Sheet

সকল বিষয়ে সমাধান ও সাজেশন পেতে আমাদের YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি প্রেস করে রাখো এবং সকল গাইড ও সাজেশন মোবাইলে পড়তে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করে নাও। এতে তোমাদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ ও মজার!!

Read More: SSC ICT Chapter 1 MCQ

Codehorse App

Check Also

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান ১২তম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান ১২তম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *