এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি আলোর প্রতিফলন সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি আলোর প্রতিফলন সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের অষ্টম অধ্যায়ের (আলোর প্রতিফলন) গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করব।

এসএসসি আলোর প্রতিফলন সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর:


০১. কোনো মসৃণ পৃষ্ঠকে কীভাবে দর্পণে পরিণত করা যাবে?
উত্তর: কোনো মসৃণ পৃষ্ঠকে দর্পণে পরিণত করতে সেটি পালিশ করে খুব মসৃণ করতে হয়। পৃষ্ঠের উপর ধাতব প্রলেপ (যেমন রূপা বা অ্যালুমিনিয়াম) দিতে হয়, যা আলোর প্রতিফলন ঘটায়। এছাড়াও, একটি স্বচ্ছ কাঁচের স্তর যোগ করে পৃষ্ঠের প্রতিফলন বাড়ানো যায়। এভাবে, পৃষ্ঠে নিয়মিত প্রতিফলন ঘটিয়ে স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।


০২. অবতল দর্পণে কীভাবে বাস্তব ও অবাস্তব উভয় প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করা যায়?
উত্তর: অবতল দর্পণের ফোকাসে কোনো বস্তুকে স্থাপন করে হলে বাস্তব অবাস্তব উভয় প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করা যায়। নিচে রশ্মি চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো-
অবস্থান: অসীম
প্রকৃতি: বাস্তব ও উল্টো অথবা অবাস্তব ও সোজা
আকৃতি: অত্যন্ত বিবর্ধিত


০৩. দর্পণে আলোকরশ্মির ক্রিয়ারেখা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: সমতল দর্পণে লম্বভাবে আপতিত রশ্মি একইভাবে ফিরে আসে। কিন্তু অবতল ও উত্তল দর্পণে বক্রতার ব্যাসার্ধবরাবর আপতিত রশ্মি একই পথে ফিরে আসে। গোলীয় দর্পণে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আপতিত রশ্মি প্রধান ফোকাস দিয়ে (অবতল দর্পণ) বা প্রধান ফোকাস হতে নির্গত হচ্ছে (উত্তল দর্পণ) বলে মনে হয়। আবার, প্রধান ফোকাস দিয়ে (অবতল দর্পণ) বা প্রধান ফোকাস বরাবর (উত্তল দর্পণ) আপতিত রশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের সমান্তরালে নির্গত হবে।


০৪. অবতল দর্পণের ব্যবহার গুলো কী কী?
উত্তর: ক্ষেত্রে অবতল দর্পণ এর ব্যবহার ক্ষেত্রগুলো হলো- রূপচর্চা, দন্ত চিকিৎসায়, টর্চলাইটে, স্টিমারের সার্চলাইটে, ডিশ এন্টেনায়, সৌরচুল্লীতে, টেলিস্কোপে, রাডার ইত্যাদি।


০৫. একাধিক বস্তুকে কেন তাদের নিজস্ব বর্ণের ভিত্তিতে কেবল-সাদা আলোতেই সনাক্ত করা সম্ভব হয়?
উত্তর: সাদা আলোতে সাতটি রঙের আলোই বিদ্যমান। বিভিন্ন বর্ণের বস্তুর উপর সাদা আলো আপতিত হলে, বস্তুগুলো কেবল তাদের নিজস্ব বর্ণের আলোকে প্রতিফলিত করে। অন্য সকল বর্ণের আলো শোষিত হয়। ফলে যার যার নিজস্ব বর্ণের আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। তাই আমরা তাদেরকে তাদের নিজস্ব বর্ণের ভিত্তিতে সনাক্ত করতে পারি।


০৬. প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় কীভাবে?
উত্তর: যখন কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ দর্পণের প্রতিফলনের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় তখন দ্বিতীয় বিন্দুতে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এ প্রতিবিম্ব বিভিন্ন ধরনের দর্পণে উৎপন্ন হয়।


০৭. মানুষ শুধুমাত্র 400 nm-700 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পারে কেন?
উত্তর: চারপাশের যে বস্তুগুলো আছে সেগুলোর আলো সরাসরি চোখে এলে মানুষ তা দেখতে পায়। রেটিনা এ আলো থেকে সংকেত তৈরি করে মানুষের মস্তিষ্কে পাঠায়। চোখের রেটিনা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর প্রতি এ সংবেদনশীলতা দেখাতে পারে। কোনো বস্তু থেকে আসা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমা 400 nm – 700 nm এর বাইরে হলে রেটিনা সংবেদনশীল হয় না। ফলে মানুষ সেগুলো দেখতে পারে না।


০৮. সমতল দর্পণে অবাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি হয় কেন?
উত্তর: যদি বস্তু থেকে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে কোনো বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয় তাহলে সেটি বাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করবে অন্যথায় অবাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করবে। সমতল দর্পণে আলোক রশ্মি প্রতিফলনের পর প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয় না। কিন্তু এ প্রতিফলিত রশ্মিগুচ্ছকে দর্পণের পেছনে বর্ধিত করা যায় তাহলে সেখানে মিলিত হবে। অর্থাৎ, দর্পণের পেছনে অবাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করবে। একারণেই সমতল দর্পণের সামনে কোনো বস্তু রাখা হলে সেটি অবাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করে।


০৯. উত্তল দর্পণ কেন সব সময় অবাস্তব প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে?
উত্তর: উত্তল দর্পণে আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে প্রতিফলিত রশ্মিগুলো বাস্তবে কোথাও মিলিত হয় না। এ রশ্মিগুচ্ছকে পেছনের দিকে বর্ধিত করলে দর্পণের পেছনে অবাস্তব প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করবে। উত্তল দর্পণের সামনে যেখানেই বস্তু রাখা হোক না কেনো প্রতি ক্ষেত্রেই এভাবে অবাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করবে বিধায় উত্তল দর্পণ সব সময় অবাস্তব প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে।


১০. প্রতিবিম্ব কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: কোনো বিন্দু হতে নির্গত আলোকরশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু হতে অপসারিত হচ্ছে বলে মনে হয়, তখন ঐ দ্বিতীয় বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে। একটি বস্তু হলো অসংখ্য বিন্দুর সমষ্টি। ফলে বিন্দুর ন্যায় বস্তুরও প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
প্রতিবিম্ব দুই প্রকার।
i. বাস্তব বা সদ প্রতিবিম্ব; ii. অবাস্তব বা অসদ প্রতিবিম্ব


১১. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের একটি ক্ষুদ্র অংশের প্রতি আমাদের চোখ সংবেদনশীল। এই অংশটির প্রকৃতি কেমন?
উত্তর: তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের যে ক্ষুদ্র অংশের প্রতি আমাদের চোখ সংবেদনশীল তাকে বলা হয় দৃশ্যমান আলো। আলো এক প্রকার শক্তি। এটি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের আকারে সঞ্চালিত হলেও, কখনো কখনো কণার মতোও আচরণ করে। কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব মাধ্যমে এটি সরলপথে চলে। আবার নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলো একটি নির্দিষ্ট বেগে চলে। শূন্যস্থানে এই বেগের মান 3 × 10⁸ m/s। আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, বিচ্ছুরণ এবং সমবর্তন ঘটে।


১২. কাগজে নিয়মিত প্রতিফলন হয় না কেন?
উত্তর: কাগজের পৃষ্ঠ আপাত দৃষ্টিতে মসৃণ মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে মসৃণ নয়। একারণে একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি যখন কাগজের পৃষ্ঠে আপতিত হয়, তখন প্রতিফলনের পর আর সমান্তরালে থাকে না, বরং চারদিকে ছড়িয়ে যায়। ফলে কাগজের পৃষ্ঠে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে না, ব্যাপ্ত প্রতিফলন ঘটে।


১৩. আয়নায় প্রতিবিম্ব ডানে-বামে উল্টে যায়, কিন্তু উপর-নিচ উল্টায় না কেন?
উত্তর: আয়না আলোক রশ্মিকে বাইরের দিক থেকে আড়াআড়ি প্রতিফলিত করে। যখন কেউ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বিম্ব দেখেন, তখন তার ডান এবং বাম দিকের আলোকরশ্মি আড়াআড়ি প্রতিফলিত হয়ে যথাক্রমে বাম ও ডানদিকে স্থান পরিবর্তন করে। ফলে বিম্বের ডান-বাম উল্টে যায়। কিন্তু আয়না আলোক রশ্মির উপর-নিচের দিক পরিবর্তন করে না, তাই উপরের অংশ উপরেই থাকে এবং নিচের অংশ নিচেই থাকে।


১৪. বিম্ব পেতে হলে কম পক্ষে দুটি আলোক রশ্মির প্রয়োজন হয় কেন?
উত্তর: বিম্ব তৈরির শর্ত হচ্ছে একাধিক আলোক রশ্মির মিলন। লক্ষ্যবস্তুর একটি বিন্দু থেকে একাধিক আলোক রশ্মি প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পরে একটি বিন্দুতে মিলিত হয়। যার ফলে ছেদ বিন্দুতে লক্ষ্যবস্তুর ওই নির্দিষ্ট বিন্দুর বিম্ব তৈরি হয়। একক আলোক রশ্মি প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পরে সামনের দিকে সঞ্চালিত হয়। লক্ষ্যবস্তুর একই বিন্দুর অন্য আরেকটি আলোকরশ্মি এসে ছেদ না করলে, এটি বিম্ব তৈরি করতে পারে না। তাই বিম্ব পেতে কম পক্ষে দুটি আলোক রশ্মির প্রয়োজন হয়।


১৫. গাড়ির চালককে গাড়িতে উঠার পরপরই গাড়ির দর্পণগুলোকে ঠিকমত উপযোজন করতে হয় কেন?
উত্তর: নিরাপত্তার জন্য গাড়ি চালানোর সময় চালককে অনেক কিছু খেয়াল করতে হয়। নিখুঁত ও নিরাপদভাবে গাড়ি চালাতে হলে চালককে শুধুমাত্র গাড়ির সামনে কী আছে তা দেখলেই চলে না বরং গাড়ির পিছনে এবং ডানে-বামে কি আছে সেদিকেও সজাগ থাকতে হয়। এজন্য গাড়ির চালককে গাড়িতে উঠার পরপরই গাড়ির দর্পণগুলোকে ঠিকমত উপযোজন করতে হয়।


১৬. শীতকালে কম্বল বা লেপ ব্যবহারের পূর্বে রোদে শুকিয়ে নিতে হয় কেন?
উত্তর: সূর্যের আলোর মাঝে দৃশ্যমান আলো ছাড়াও অতিবেগুনী রশ্মি থাকে। যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলো অপেক্ষা অনেক কম। এ কারণে অতিবেগুনী রশ্মি বা আলট্রা ভায়োলেট আলো বেশ কিছু জীবাণু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে। তাই তুলে রাখা কম্বল বা লেপ শীতকালে ব্যবহার করার আগে কয়েকদিন রোদে রাখা হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।


📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now


১৭. জাহাজ বা লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর: জাহাজ বা লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয় কারণ এটি আয়নার ফোকাসে রাখা আলো কে সমান্তরাল রশ্মিতে প্রতিফলিত করে। এর ফলে আলো অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে ও দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এছাড়াও অবতল আয়না সমান্তরাল আলোকে কেন্দ্রীভূত করে, যা আলোকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। ফলে কম শক্তিতেই বেশি দূরত্বে আলোকিত করা যায়, যা নেভিগেশনে সহায়ক।


১৮. আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ও ব্যাপ্ত প্রতিফলনের মধ্যে দুটি পার্থক্য লিখো।
উত্তর:
বিষয়বস্তু | নিয়মিত প্রতিফলন | অনিয়মিত প্রতিফলন
প্রতিফলক পৃষ্ঠ | মসৃণ ও সমতল | অসমতল বা খাঁজকাটা
প্রতিফলিত রশ্মির দিক | সব প্রতিফলিত রশ্মি সমান্তরাল থাকে | প্রতিফলিত রশ্মি বিভিন্ন দিকে বিচ্ছুরিত হয়


১৯. আলোর ধর্ম গুলো কী কী লেখো।
উত্তর: আলো একপ্রকার শক্তি যা তাড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের আকারে সঞ্চালিত হয়। আলোর কণাধর্মও বিদ্যমান। দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 400 nm থেকে 700 nm। কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব মাধ্যমে আলো সরলপথে চলে এবং কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলো একটি নির্দিষ্ট বেগে চলে। শূন্যস্থানে আলোর বেগের মান 3 × 10⁸ m/s। আলো প্রতিফলন, প্রতিসরণ ব্যতিচার, অপবর্তন, বিচ্ছুরণ, সমবর্তন ইত্যাদি ধর্ম প্রদর্শন করে।


২০. কীভাবে বাস্তব ও অবাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
উত্তর: কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোকরশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে ২য় কোনো বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হলে দ্বিতীয় বিন্দুটি ১ম বিন্দুর বাস্তব প্রতিবিম্ব। আর প্রকৃতপক্ষে মিলিত না হলে তা অবাস্তব প্রতিবিম্ব।


২১. স্থির অবস্থায় ফ্যানের পাখাগুলো আলাদা দেখা যায়। কিন্তু চলন্ত অবস্থায় আলাদা মনে হয় না কেন?
উত্তর: কোনো বস্তুকে চোখের সামনে থেকে সরানোর 0.1 s এর মধ্যে আবার চোখের সামনে আনা হলে বস্তুটির অনুপস্থিতি টের পাওয়া যায় না। চলন্ত ফ্যানের পাখার গতি অনেক বেশি হয়। যার ফলে পাখাগুলো 0.1 s সময়ের আগেই নিজ নিজ অবস্থানে ফেরত আসে। তাই পাখাগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান আলাদা ভাবে বুঝা যায় না। এই কারণে চোখের সামনে চলন্ত অবস্থায় ফ্যানের পাখাগুলো আলাদা মনে হয় না।


২২. হাসপাতাল, সুপার মার্কেট ইত্যাদি আবদ্ধ স্থানে অতিবেগুণী রশ্মির বাতি ব্যবহার করার কারণ কী?
উত্তর: অতিবেগুণী রশ্মির বাতি ব্যবহার করে হাসপাতাল, সুপার মার্কেট এবং অন্যান্য পাবলিক স্থানে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়। অতিবেগুণী রশ্মি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য ক্ষতিকর অণুজীব ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি তাদের ডিএনএ এবং আরএন ধ্বংস করে, ফলে তারা আর প্রজনন বা সংক্রমণ করতে পারে না। তাই হাসপাতালে অতিবেগুণী রশ্মির বাতি ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমণ কমানো যায়। অন্যদিকে এটি বায়ুবাহিত জীবাণুধ্বংস করে, যা ইনফেকশনের ঝুঁকি কমায়। অর্থাৎ, হাসপাতালে, সুপার মার্কেট ইত্যাদি আবদ্ধ স্থানে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অতিবেগুনী রশ্মির বাতি ব্যবহার করা হয়।


২৩. হলুদ আলোতে পাকা পেঁপে হলুদ দেখালেও পেঁপে গাছের পাতা কালো দেখায় কেন?
উত্তর: পাকা পেঁপের বর্ণ সাধারনত হলুদ হয়। তাই এটি হলুদ বাদে সব আলো শোষণ করে এবং শুধুহলুদ আলোকে প্রতিফলিত করে। তাই হলুদ আলোতে পাকা পেঁপে হলুদ দেখায়। অন্যদিকে, পেঁপে গাছের পাতা সবুজ হওয়ায়, এতে হলুদ আলো শোষিত হয়। এক্ষেত্রে কোনো আলো প্রতিফলিত হয় না বলে পাতা কালো দেখায়।


২৪. দর্পণে সোজা বাস্তব বিম্ব গঠন সম্ভব নয় কেন?
উত্তর: সোজা বাস্তব বিম্বের জন্য দর্পণে প্রতিফলিত আলোক রশ্মিগুলিকে লক্ষ্যবস্তুর একই পাশে বাস্তবিকভাবে মিলিত হতে হয়। যা দর্পণের আকৃতি এবং প্রতিফলনের প্রকৃতির কারণে সম্ভব হয় না। দর্পণে আলোক রশ্মি বাইরের দিক থেকে আড়াআড়ি প্রতিফলিত হয়। যার ফলে, লক্ষ্যবস্তুর উপরের অংশের বাস্তব বিম্ব নিচে এবং নিচের অংশের বিম্ব উপরে গঠিত হয়। একারণে বিম্ব উল্টে যায় এবং দর্পণে সোজা বাস্তব বিম্ব গঠন সম্ভব হয় না।


২৫. একটি চকচকে চামচের দুই পৃষ্ঠে আমাদের মুখের প্রতিবিম্ব ভিন্ন হয় কেন?
উত্তর: একটি চকচকে চামচ আয়নার ন্যায় আচরণ করে। উত্তল পৃষ্ঠ উত্তল আয়না এবং অবতল পৃষ্ঠ অবতল আয়না মতো আচরণ করবে। উত্তল পৃষ্ঠের সামনে মুখ রাখলে ছোট ও সোজা প্রতিবিম্ব তৈরি হবে। আবার অবতল পৃষ্ঠের সামনে মুখ রাখলে ছোট ও উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি হবে।


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা এখন চাইলে এই সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলো ও অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর জন্য PDF কপি সংগ্রহ করতে পারো। নিচের “Answer Sheet” বোতামে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবে সম্পূর্ণ সমাধান।

Answer Sheet

সকল বিষয়ে সমাধান ও সাজেশন পেতে আমাদের YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি প্রেস করে রাখো এবং সকল গাইড ও সাজেশন মোবাইলে পড়তে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করে নাও। এতে তোমাদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ ও মজার!!

Read More: এসএসসি আলোর প্রতিসরণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

Codehorse App

Check Also

এস এস সি বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *