পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান তৃতীয় অধ্যায় খাদ্য শূন্যস্থান পূরণ: দেহকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। সুষম খাদ্য বিশেষত শিশুদের সঠিকভাবে শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে, মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে। সুষম খাদ্য গ্রহণে শরীরে পুষ্টি চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ হয়।
পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান তৃতীয় অধ্যায় খাদ্য শূন্যস্থান পূরণ:
২. সুষম খাদ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা-
দেহকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। সুষম খাদ্য বিশেষত শিশুদের সঠিকভাবে শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে, মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে। সুষম খাদ্য গ্রহণে শরীরে পুষ্টি চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ হয়।
সুস্থ থাকার জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকার জন্য সঠিক পরিমাণ পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। সুষম খাদ্য গ্রহণ বয়স, লিঙ্গ এবং কাজের ধরনভেদে আলাদা হতে পারে।
আমরা আগে ছোটো ছিলাম। এখন ধীরে ধীরে বড়ো হচ্ছি। প্রতিদিন আমরা নানারকম কাজকর্ম, ছোটাছুটি, খেলাধুলা, লেখাপড়া করি। খেলতে গিয়ে সামান্য কেটে-ছিঁড়ে গেলে কোনো ওষুধ ছাড়াই কয়েক দিনের মধ্যে তা ভালো হয়ে যাচ্ছে। এর মূলে রয়েছে সুষম খাদ্য।
খাদ্যের উপাদানগুলো আমাদের দেহে যে কাজ করে সেগুলো হলো-
- দেহের বৃদ্ধিসাধন ক্ষয়পূরণ ও সুরক্ষা প্রদান
- তাপ উৎপাদন ও কাজ করার শক্তি প্রদান
- শারীরবৃত্তীয় কর্মশক্তি প্রদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি ইত্যাদি।
প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ না করলে শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হয়। একটি খাদ্য উপাদানের অভাবে আরেকটি উপাদান শোষিত হয় না অথবা যথাযথ কাজ করে না। এর ফলে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খেলেও অনেকের পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়। আবার কোনো উপাদান প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্রহণ করলে স্থূলতাসহ নানারকম শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। প্রতিদিনের খাবার সুষম না হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সহজে শরীরে রোগের আক্রমণ হতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্য সুষম না হলে শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। সঠিক অনুপাতে ও সময়মতো খাদ্য গ্রহণে ভালো ঘুম হয় এবং মানসিক চাপ কমে। খাদ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বয়স, লিঙ্গ, শারীরিক পরিশ্রমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে খাদ্য গ্রহণ করলে শরীর সুস্থ থাকে।
শূন্যস্থান পূরণ:
ক) খাদ্য আমাদের দেহে ______ উৎপাদন করে।
খ) দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধনের জন্য ______ প্রয়োজন।
গ) যে খাদ্যে সব পুষ্টি উপাদান সঠিক পরিমাণে থাকে তাকে ______ খাদ্য বলে।
ঘ) শর্করা জাতীয় খাদ্য আমাদের দেহে ______ প্রদান করে।
ঙ) আমিষ জাতীয় খাদ্য দেহের ______ গঠন সাহায্য করে।
চ) ভিটামিন ও খনিজ লবণ দেহকে ______ থেকে রক্ষা করে।
ছ) খাদ্য নষ্ট হওয়া রোধ করার প্রক্রিয়াকে ______ বলে।
জ) মাছ ও মাংস দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ______ ব্যবহার করা হয়।
ঝ) খাদ্য সংরক্ষণের ফলে খাদ্যের ______ অক্ষুণ্ণ থাকে।
ঞ) রোদে শুকিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করাকে ______ পদ্ধতি বলা হয়।
ট) ঠান্ডা দিয়ে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতির নাম ______।
ঠ) ফল ও সবজি থেকে আমরা ______ পাই।
ড) অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণের ফলে শরীর ______ হয়ে যায়।
ঢ) সময়মতো খাবার খেলে ______ ভালো হয়।
ণ) শিশুদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ______ জাতীয় খাদ্য বেশি দরকার।
ত) দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য ______ মজবুত করে।
থ) খাদ্য পচনের প্রধান কারণ হলো ______।
দ) হিমাগারে খাদ্য সংরক্ষণ করলে ______ নষ্ট থাকে।
ধ) সুষম খাদ্য গ্রহণে দেহ থাকে ______ ও কর্মক্ষম।
ন) রাতের খাবার ঘুমানোর কমপক্ষে ______ ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।
📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now
উত্তর:
ক) শক্তি, খ) পুষ্টি, গ) সুষম, ঘ) শক্তি,
ঙ) দেহ, চ) রোগ, ছ) খাদ্য সংরক্ষণ,
জ) ফ্রিজ, ঝ) গুণাগুণ, ঞ) শুকিয়ে সংরক্ষণ,
ট) হিমায়ন, ঠ) ভিটামিন, ড) দুর্বল, ঢ) হজম,
ণ) আমিষ, ত) হাড় ও দাঁত, থ) অণুজীব,
দ) জীবাণু, ধ) সুস্থ, ন) ৩।
Codehorse Learn Free