৫ম শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ খাদ্য সত্য মিথ্যা নির্ণয়: সুস্থ থাকার জন্য শুধু সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার খেলেই হবে না বরং সেগুলো আমরা কখন খাই, কতক্ষণ পরপর খাই, দিনে কতবার খাই সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকেই খাবার গ্রহণের কোনো নিয়ম মেনে চলি না।
৫ম শ্রেণির বিজ্ঞান অধ্যায় ৩ খাদ্য সত্য মিথ্যা নির্ণয়:
৩. সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব-
সুস্থ থাকার জন্য শুধু সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার খেলেই হবে না বরং সেগুলো আমরা কখন খাই, কতক্ষণ পরপর খাই, দিনে কতবার খাই সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকেই খাবার গ্রহণের কোনো নিয়ম মেনে চলি না। যখন মনে হয় তখন অথবা একেক দিন একেক সময়ে খাই। আবার অনেকক্ষণ না খেয়েও থাকি।
সুস্থ থাকতে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যের পাশাপাশি সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহণ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়ের যেমন নির্দিষ্ট সময়সূচি থাকে তেমনি খাদ্য গ্রহণেরও নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে খাদ্য গ্রহণ করলে শরীর সুস্থ থাকে।
আমাদের শরীরে খাদ্য পরিপাকের জন্য নানা ধরনের উপাদান কাজ করে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, অপরিমিত এবং বিশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। সময়মতো খাবার গ্রহণ না করলে পাকস্থলীতে আলসার বা ক্ষত, বদহজম, ওজন হ্রাস বা বৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শরীর দুর্বল হয়ে পরে। সঠিক সময়ে খাবার খেলে-
- শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে
- মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
- শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সঠিকভাবে হয়
প্রতিদিন সকাল ৮টার মধ্যে সকালের খাবার খেয়ে নেওয়া ভালো। দুপুরের খাবার গ্রহণের সঠিক সময় বেলা সাড়ে ১২টা থেকে ১টা। সকালের নাশতা মোটামুটি পেট ভরে খেলে দুপুরের খাবার মাঝারি পরিমাণের হওয়া উচিত।
রাতের খাবার সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে খেয়ে ফেলা ভালো। দেরিতে রাতের খাবার গ্রহণ করলে স্থূলতা বা মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। কোনো কারণে এই সময়ের মধ্যে খাওয়া সম্ভব না হলে অন্তত ঘুমানোর ঘণ্টা তিনেক আগে রাতের খাবার গ্রহন করা উচিত। রাতে সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো।
খাবার হজম হতে সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা সময় লাগে। এজন্য প্রতি বেলার খাদ্য গ্রহণের মাঝে কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা বিরতি দেওয়া প্রয়োজন। এতে হজম ভালো হয়, পরিপাকতন্ত্র সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে এবং অতিরিক্ত মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করো: (অতিরিক্ত)
ক) খাদ্য আমাদের দেহে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
খ) সুষম খাদ্যে শুধু শর্করা থাকলেই যথেষ্ট।
গ) আমিষ জাতীয় খাদ্য দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণে সাহায্য করে।
ঘ) ভিটামিন ও খনিজ লবণ রোগ প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা রাখে না।
ঙ) সব খাবার সারা বছর একইভাবে পাওয়া যায়।
চ) খাদ্য সংরক্ষণ করলে খাদ্যের অপচয় কমে।
ছ) রোদে শুকিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ একটি প্রাচীন পদ্ধতি।
জ) কিউরিং পদ্ধতিতে চিনি ব্যবহার করে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়।
ঝ) অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণে পাকস্থলীর সমস্যা হতে পারে।
ঞ) গর্ভবতী মায়েদের অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন হয়।
ট) বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য সহজপাচ্য খাদ্য উপকারী।
ঠ) সময়মতো খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ড) অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণে পাকস্থলীর সমস্যা হতে পারে।
ঢ) সুষম খাদ্য শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।
ণ) তেল ও চর্বি জাতীয় খাদ্য দেহে শক্তি জোগায়।
ত) খাদ্য সংরক্ষণের ফলে খাদ্যের গুণাগুণ নষ্ট হয়।
থ) দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য হাড় ও দাঁত মজবুত করে।
দ) খাদ্য পচনের অন্যতম কারণ অণুজীব।
ধ) সময়মতো খাবার খেলে হজম ভালো হয়।
ন) রাতে খুব দেরিতে খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now
উত্তর:
ক) সত্য, খ) মিথ্যা, গ) সত্য, ঘ) মিথ্যা, ঙ) মিথ্যা,
চ) সত্য, ছ) সত্য, জ) মিথ্যা, ঝ) সত্য, ঞ) সত্য,
ট) সত্য, ঠ) সত্য, ড) সত্য, ঢ) সত্য, ণ) সত্য,
ত) মিথ্যা, থ) সত্য, দ) সত্য, ধ) সত্য, ন) মিথ্যা।
Codehorse Learn Free