এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের চতুর্থ অধ্যায়ের (কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি) গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করব।

এসএসসি কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর:

০১. কোন ক্ষেত্রে শক্তি এবং কোন ক্ষেত্রে ক্ষমতা হিসাব করতে হয় তা উদাহরণসহ লেখো।
উত্তর: শক্তি হিসাব করতে হয় যখন কাজের পরিমাণ বা শক্তির স্থানান্তর নির্ণয় করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি বাল্ব কত শক্তি ব্যবহার করছে তা হিসাব করতে শক্তি প্রয়োজন। ক্ষমতা হিসাব করতে হয় যখন কাজ করার গতি বা শক্তির ব্যবহারের হার জানতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি মেশিন ১০ সেকেন্ডে কত শক্তি কাজ করেছে, তা হিসাব করতে ক্ষমতা ব্যবহৃত হয়।


০৩. নিউক্লীয় শক্তি সব ক্ষেত্রে ব্যবহার না করতে পারার চারটি কারণ লেখো।
উত্তর: নিচে নিউক্লীয় শক্তি সব ক্ষেত্রে ব্যবহার না করতে পারার চারটি কারণ লেখা হলো-
১. নিউক্লীয় শক্তি উৎপাদন করা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল এবং এতে অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন।
২. পারমাণবিক দুর্ঘটনা থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় বিকিরণ মানুষের জীবন এবং পরিবেশের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
৩. নিউক্লীয় বর্জ্য সুরক্ষিতভাবে নিষ্কাশন করা কঠিন।
৪. বায়ু এবং জলবিদ্যুৎ শক্তির মতো পরিবেশবান্ধব বিকল্প উৎস সহজলভ্য।


০৪. ভূতাপীয় শক্তির রূপান্তর ও ব্যবহার সম্পর্কেলেখো।
উত্তর: ভূতাপীয় শক্তি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপ থেকে উদ্ভূত শক্তি, যা মূলত তাপ শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ভূগর্ভস্থ গরম পানি বা বাষ্পকে উত্তোলন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা তাপ সরবরাহে ব্যবহার করা হয়। ভূতাপীয় শক্তির রূপান্তরের মাধ্যমে প্রাপ্ত শক্তি সরাসরি কৃষি, শিল্প এবং গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।


০৫. অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় জীবাশ্ম জ্বালানির দুইটি অবদান লেখো।
উত্তর: অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় জীবাশ্ম জ্বালানির দুইটি অবদান নিচে লেখা হলো:
১. কর্মসং স্থা ন: জীবাশ্ম জ্বালানি খাতের সাথে সম্পর্কিত শিল্প যেমন কয়লা, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
২. রা জস্ব: জীবাশ্ম জ্বালানি খাতের উপর নির্ভরশীল দেশগুলির সরকার এখান থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করে।


০৬. শক্তির নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ দুইটি পদক্ষেপ সম্পর্কেলেখো।
উত্তর: শক্তির নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহারের জন্য নিচে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ সম্পর্কেলেখা হলো:
১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের ব্যবহার বৃদ্ধি: সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ ও ভূতাপীয় শক্তির মতো নবায়নযো গ্য শক্তির উৎস ব্যবহার করলে শক্তির সাশ্রয় হবে এবং পরিবেশে দূষণ কমানো সম্ভব হবে।
২. শক্তি পরিমাপ করা: শক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়মিত পরিমাপ করা উচিত যাতে ব্যবহৃত শক্তির সাশ্রয় হয়।


০৭. মই বেয়ে উপরে উঠা কী ধরনের কাজ?
উত্তর: আমরা জানি, কাজ = বল × বলের দিকে সরণের উপাংশ। F বল প্রয়োগের ফলে বলের দিকে সরণ s হলে, কাজ W = Fs । মই বেয়ে উপরে উঠার ক্ষেত্রে আমাদেরকে অভিকর্ষজ বলের বিপরীতে বল প্রয়োগ করে উপরে উঠতে হয়। এক্ষেত্রে আমাদের সরণও অভিকর্ষবলের বিপরীতে হয়। তাই মই বেয়ে উপরে উঠা ঋণাত্মক কাজ।


০৮. “দুটি বস্তুর উপর সমবল প্রয়োগ করা হলেও কৃতকাজ ভিন্ন হতে পারে” -ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: দুটি বস্তুর উপর সমবল প্রয়োগ করা হলেও বলের দিকে বস্তুদ্বয়ের অতিক্রান্ত দূরত্ব সমান নাও হতে পারে। তাই কাজের পরিমাণ সমান নাও হতে পারে। আবার সমবল প্রয়োগ করা হলে কোনো ক্ষেত্রে সরণ প্রযুক্ত বলের বিপরীত দিকেও ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে ঋণাত্মক কাজ হবে। সুতরাং বলা যায়, দুটি বস্তুর উপর সমবল প্রয়োগ করা হলেও কৃতকাজ ভিন্ন হতে পারে।


০৯. গতিশীল গাড়িতে ব্রেক কষলে গাড়ি কিছুদূর গিয়ে থেমে যায়। এটি কোন ধরনের কাজ?
উত্তর: গতিশীল গাড়িতে ব্রেক কষলে গাড়ি কিছুদূর গিয়ে থেমে যায়। ব্রেক কষলে এক ধরনের প্রতিরোধ বলের উৎপন্ন হয়। তবে গতি জড়তার কারণে গাড়িটি কিছু সময় পরে একটুদূরে গিয়ে থেমে যায়। এক্ষেত্রে বল ও সরণ বিপরীমুখী তাই কাজটি বলের বিরুদ্ধে কৃতকাজ।


১০. অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত শক্তির উৎস ব্যবহারের সুবিধাগুলো লেখো।
উত্তর: অপেক্ষাকৃত কম ব্যবহৃত শক্তির উৎস হলো নবায়নযোগ্য শক্তি। নবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা হলো এই শক্তির উৎসগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্যের উপর নির্ভরশীল। যতদিন পৃথিবী সূর্যের আলো পেতে থাকবে ততদিন পর্যন্ত এ সকল উৎস থেকে শক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব তাই পরিবেশ দূষণের হাত থেকে দেশকে বাঁচানো সম্ভব।


১১. উপরের দিকে নিক্ষিপ্ত বস্তুর ক্ষেত্রে বিভব শক্তির হ্রাস-বৃদ্ধি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: একটি বস্তুকে নির্দিষ্ট গতিশক্তি সরবরাহ করে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে ভূপৃষ্ঠ থেকে বস্তুর উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর বেগ কমতে থাকে এবং বিভব শক্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে। একসময় বস্তুটির বেগ থেমে গিয়ে নীচে পড়তে থাকে। নিচে পড়ার সময় ভূপৃষ্ঠ হতে বস্তুর উচ্চতা কমতে থাকে এবং বিভব শক্তি হ্রাস পেতে থাকে।


১২. প্রদত্ত শক্তি যতই হোক ইঞ্জিনের কার্যকর শক্তি কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভরশীল- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: কর্মদক্ষতা হলো কোনো যন্ত্র মোট গৃহীত শক্তির কত অংশ কাজে রূপান্তরিত করতে পারে তার শতকরা পরিমাণ। অর্থাৎ কোনো যন্ত্রের কর্মদক্ষতা যত বেশি সেটি তার দ্বারা শোষিত শক্তির তত বেশি অংশ কাজে রূপান্তরিত করতে পারে। সুতরাং কর্মদক্ষতা বেশি হলে লভ্য কার্যকর শক্তি বেশি হবে। একারণেই লভ্য কার্যকর শক্তি কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভরশীল।


১৪. একই দূরত্ব সামনে না হেঁটে সিঁড়ি দিয়ে উঠলে বেশি ক্ষমতার প্রয়োজন হয় কেন?
উত্তর: নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্ব অনুভূমিক বরাবর সামনের দিকে হাঁটলে কেবল ঘর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়। কিন্তু একই দূরত্ব উল্লম্বভাবে উপররের দিকে উঠলে ঘর্ষণ বল এবং অভিকর্ষবল উভয়ের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়। এছাড়াও, ঘর্ষণ বলের চেয়ে অভিকর্ষবল বৃহত্তর মানের। তাই একই দূরত্ব সামনে না হেঁটে সিঁড়ি দিয়ে উঠলে বেশি ক্ষমতার প্রয়োজন হয়।


১৫. প্রযুক্ত বল দ্বারা কৃতকাজ সবসময় ধনাত্মক হয় না কেন?
উত্তর: বল প্রয়োগে বস্তুর সরণ বলের প্রয়োগ বিন্দুর দিকে হলে কৃতকাজ ধনাত্মক হয়, আর সরণ বলের প্রয়োগ বিন্দুর বিপরীত দিকে হলে কৃতকাজ ঋণাত্মক হয়। কোনো বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করলে এর সরণ সবসময় বলের প্রয়োগ বিন্দুর দিকে হয় না। বল প্রয়োগে কখনো কখনো বস্তুর সরণ বলের প্রয়োগ বিন্দুর বিপরীতেও হয়। তাই প্রযুক্ত বল দ্বারা কৃতকাজ সবসময় ধনাত্মক হয় না।


১৬. কৃতকাজকে কখন ধনাত্মক আর কখন ঋণাত্মক কাজ বলা হয়?
উত্তর: সরণ এবং সরণের দিকে বলের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। বলের দিকে সরণের ধনাত্মক উপাংশ থাকলে তাকে ধনাত্মক কাজ বা বলের দ্বারা কাজ বলে। আর বলের বিপরীত দিকে সরণের উপাংশ থাকলে তাকে ঋণাত্মক কাজ বা বলের বিরুদ্ধে কাজ বলে।


১৭. যন্ত্রের ক্ষমতা নতুন করে নির্ণয়ের প্রয়োজন হয় না এমন দুইটি ক্ষেত্র সম্পর্কেলেখো।
উত্তর: যন্ত্রের ক্ষমতা নতুন করে নির্ণয়ের প্রয়োজন হয় না এমন দুইটি ক্ষেত্র সম্পর্কেনিচে লেখা হলো:
১. যখন যন্ত্র স্থির থাকে : যখন যন্ত্র স্থির থাকে, তখন ক্ষমতা নির্ণয়ের প্রয়োজন হয় না।
২. যখন কোনো বাহ্যিক শক্তি প্রযুক্ত হয় না : যখন কোনো বাহ্যিক শক্তি যেমন গতিরোধী শক্তি যন্ত্রে কাজ করে না, তখন যন্ত্রের শক্তি বা গতির পরিবর্তন নির্ণয়ের প্রয়োজন হয় না।


১৮. আলোকে কেন শক্তি বলা হয়?
উত্তর: পৃথিবীতে সকল শক্তির উৎস হলো সূর্য। প্রাণী ও উদ্ভিদ কোষ আলো ব্যবহার করে তেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি জীবাশ্ম জ্বালানির সৃষ্টি করে। লেন্স বা দর্পণের সাহায্যে আলোকে অভিসারিত করে আগুন জ্বালানো যায়। এছাড়াও সোলার ওয়াটার হিটার, সোলার কুকার ইত্যাদিতে ব্যবহৃত শক্তি আলো থেকেই আসে। অর্থাৎ আলো এক প্রকার শক্তি।


১৯. জলপ্রপাতের শীর্ষদেশ ও তলদেশের তাপমাত্রা ভিন্ন হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: জলপ্রপাতের শীর্ষদেশে পানির সমগ্র শক্তিই বিভবশক্তি হিসেবে জমা থাকে। অন্যদিকে পানি জলপ্রপাতের তলদেশে পতনকালে সমগ্র বিভবশক্তি গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। গতিশক্তির কিছুঅংশ তাপশক্তিতে পরিণত হয়ে পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। এ কারণে জলপ্রপাতের শীর্ষদেশ ও তলদেশের তাপমাত্রা ভিন্ন হয়।


📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now


২০. পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিশেষ বিক্রিয়া ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় সেটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তেজস্ক্রিয় মৌল ইউরেনিয়ামের চেইন রি-অ্যাকশন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এই বিক্রিয়ায় U নিউক্লিয়াসকে একটি নিউট্রন দ্বারা আঘাত করা হয়। ফলে U পুরোপুরি অস্থিতিশীল হয়ে যায় এবং Kr, Ba দুইটি ছোট নিউক্লিয়াসে ভাগ হয়ে যায়। এতে করে আরো তিনটা নিউট্রন বের হয়ে আসে। উৎপন্ন 3টি নিউট্রন আবার অন্য নিউক্লিয়াসকে ভেঙে দেয় এবং এভাবে এই বিক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে চলতেই থাকে।


২২. দুটি যন্ত্রের কৃতকাজের পরিমাণ একই হলেও তাদের ক্ষমতা ভিন্ন হতে পারে কি?
উত্তর: কোনো যন্ত্রের কাজ করার হার হলো ক্ষমতা। একটি যন্ত্র t সময়ে W পরিমাণ কাজ করলে তার ক্ষমতা, P = ; কৃতকাজ W যদি একই থাকে কিন্তু প্রয়োজনীয় সময় যদি ভিন্ন হয় তবে ক্ষমতা P । সুতরাং দুটি ভিন্ন যন্ত্রের একই পরিমাণ কাজ করতে ভিন্ন সময় প্রয়োজন হলে ক্ষমতাও ভিন্ন হবে।


২৩. স্প্রিং ধ্রুবক কেন সার্বজনীন ধ্রুবক নয়?
উত্তর: স্প্রিং ধ্রুবক স্প্রিংয়ের উপকরণ, আকার, এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। স্প্রিংয়ের এইসব বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়। ফলে স্প্রিং ধ্রুবকের মানও পরিবর্তিত হয়। তাই এটি সার্বজনীন ধ্রুবক নয়।


২৪. শক্তির নিত্যতা কীভাবে শক্তির রূপান্তরকে প্রভাবিত করে?
উত্তর: এক প্রকার শক্তি অন্য প্রকার শক্তিতে রূপান্তরের সময় কিছুশক্তির অপচয় ঘটে। শক্তির রূপান্তরের ক্ষেত্রে শক্তির অপচয় কম-বেশি হতে পারে। শক্তির নিত্যতা অনুযায়ী মোট শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকায়। তাই শক্তির অপচয়ের তারতম্যের কারণে সমপরিমাণ শক্তিকে সবসময় নির্দিষ্ট পরিমাণ অপর একটি শক্তিতে রূপান্তর করা যায় না। এভাবে শক্তির নিত্যতা শক্তির রূপান্তরকে প্রভাবিত করে।


২৫. ভর ও শক্তির সম্পর্কব্যাখ্যা করো।
উত্তর: আইনস্টাইনের ভর শক্তি সমীকরণ হলো, E = mc² । এই সমীকরণ হতে স্পষ্ট যে, ভরকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়। তবে সেটা আসলে সমগ্র ভর নয়। নিউক্লিয় বিক্রিয়ার সময় কিছু পরিমাণ ভর হারিয়ে যায়, যা উপর্যুক্ত সমীকরণ অনুযায়ী শক্তিতে পরিণত হয়।


২৮. শক্তি ও ক্ষমতাকে কেন দুইটি ভিন্ন রাশি হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
উত্তর: বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যই হলো শক্তি। অন্যদিকে বস্তু একক সময়ে যে পরিমাণ কাজ করতে পারে তা হলো ঐ বস্তুর ক্ষমতা। ক্ষমতা দ্বারা বিভিন্ন বস্তুর কাজের হার জানা যায় বলে বস্তুসমূহের সামর্থ্য বোঝা যায়। কিন্তু শক্তি কেবল মোট কাজের পরিমাণ হওয়ায় এর দ্বারা বস্তুসমূহের সামর্থ্য বোঝা যায় না। তাই শক্তি ও ক্ষমতাকে দুইটি ভিন্ন রাশি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।


২৯. কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ না করে শুধুসংখ্যায় প্রকাশ করলে কী সমস্যা হতো?
উত্তর: কর্মদক্ষতা শতকরা প্রকাশ থেকে আমরা সহজেই জানতে পারি গৃহীত শক্তির শতকরা কী পরিমাণ কাজে ব্য য় হচ্ছে। যেমন- কোনো ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা 50% বলতে বোঝায় যে, এটি গৃহীত মো ট শক্তির 50% কাজে পরিণত করে। তাই কর্মদক্ষতাকে শতকরা এককে প্রকাশ করা হয়। এমনটা না করে শুধুসংখ্যায় প্রকাশ করলে গৃহীত শক্তির কত অংশ কাজে পরিণত হচ্ছে তা সহজে বোঝা যেত না।


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা এখন চাইলে এই সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলো ও অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর জন্য PDF কপি সংগ্রহ করতে পারো। নিচের “Answer Sheet” বোতামে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবে সম্পূর্ণ সমাধান।

Answer Sheet

সকল বিষয়ে সমাধান ও সাজেশন পেতে আমাদের YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি প্রেস করে রাখো এবং সকল গাইড ও সাজেশন মোবাইলে পড়তে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করে নাও। এতে তোমাদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ ও মজার!!

Read More: এসএসসি পদার্থের অবস্থা ও চাপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর 

Codehorse App

Check Also

এস এস সি বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *