চতুর্থ শ্রেণীর বিশ্বপরিচয় প্রশ্ন উত্তর
৪র্থ শ্রেণি বিশ্বপরিচয় প্রশ্ন উত্তর

৪র্থ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ প্রশ্ন উত্তর

৪র্থ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ প্রশ্ন উত্তর: বাংলাদেশে নানা ধরনের দুর্যোগ ঘটে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দু’টি হলো বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়। প্রাকৃতিক কারণ ছাড়াও পরিবেশ দূষণের প্রভাবে অনেক সময় দুর্যোগ ঘটে থাকে।

বন্যার প্রভাব:

আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে মূলত বন্যার প্রকোপ বেশি থাকে। এই বন্যার ফলে মানুষের জীবন, ফসল, বাড়ি-ঘর এবং রাস্তা-ঘাটের অনেক ক্ষতি হয়। বন্যার কারণে বিশুদ্ধ পানির অভাবে নানা রোগ ছড়ায়। তবে বন্যা হলে মাটিতে পলি জমা হয়, যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বন্যার কারণ:

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, দূষণ, বাঁধনির্মাণ ও প্রাকৃতিক কারণে বন্যা হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বন্যার একটি কারণ। এ ছাড়াও পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে নদীগুলোর ধারণক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে বর্ষা মৌসুমে হঠাৎ পানি ছেড়ে দিলে নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হতে পারে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে বন্যা দেখা দেয়।

বন্যা মোকাবিলা:

বন্যা সব সময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আমরা যাতে বন্যা মোকাবিলা করতে পারি সে জন্য কিছু প্রস্তুতি নেওয়া যায়। যেমন: নিয়মিত রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে আবহাওয়া সম্পর্কে খবর শুনব। বাড়ির কাছে খাল-নদীতে চিহ্ন দিয়ে বাঁশ-লাঠি পুঁতে রাখব, যাতে বুঝতে পারি পানি কতটুকু বাড়ল। বন্যার আগে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধ জমিয়ে রাখব। পড়ার বই-খাতা ও ঘরের গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে গুছিয়ে রাখব। মনে সাহস রাখব এবং ধৈর্যের সাথে দুর্যোগ মোকাবিলা করব।

৪র্থ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১২ প্রশ্ন উত্তর:

অল্প কথায় উত্তর:

প্রশ্ন-১। কোন দুইটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমরা বেশি আক্রান্ত হই?
উত্তর: বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় এই দুইটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমরা বেশি আক্রান্ত হই।

প্রশ্ন-২। বন্যার পর কোন কারণে রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যেতে পারে?
উত্তর: বন্যার পর বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যেতে পারে।

প্রশ্ন-৩। আগুন লাগার দুইটি কারণ উল্লেখ কর।
উত্তর: আগুন লাগার দুইটি কারণ উল্লেখ করা হলো:
১. রান্নার পর চুলার আগুন সম্পূর্ণ নিভিয়ে না দিলে।
২. ঘরে কুপি, হারিকেন, মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখলে।

প্রশ্ন-৪। বন্যা প্রতিরোধের দুইটি উপায় লেখ।
উত্তর: বন্যা প্রতিরোধের দুইটি উপায় হলো:
১. বন্যার আগে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ঔষধ জমিয়ে রাখা।
২. নিয়মিত রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে আবহাওয়ার খবর শোনা।

প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

প্রশ্ন-১। মানুষ কীভাবে বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে?
উত্তর: মানুষ যেভাবে বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে তা হলো:
১. অব্যাহত হারে গাছ-পালা কেটে ফেলে।
২. যেখানে-সেখানে রাস্তাঘাট, বাসস্থান, বাঁধ তৈরি করার ফলে বর্ষার পানি বেড়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
৩. পুকুর, খাল-বিলে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে পানি ভরে গিয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়।
৪. শহর বেষ্টনিমূলক বাঁধ নির্মাণ করে।
৫. অপরিকল্পিত হারে নগর সম্প্রসারণ করে।

 

প্রশ্ন-২। জলোচ্ছ্বাস/সাইক্লোনের প্রভাব বর্ণনা কর।
উত্তর: জলোচ্ছ্বাস/সাইক্লোনের প্রভাব হলো:
১. ঘরবাড়ি ও ফসল ধ্বংস হয়।
২. মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং গবাদিপশুর জীবন বিনষ্ট হয়।
৩. উপকূলীয় অঞ্চলে পানির তীব্র অভাব দেখা দেয়।
৪. বিভিন্ন ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
৫. স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।

 

অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর:

১. আমরা আবহাওয়ার খবর নিচের কোনটি থেকে পাই?
ক. রেডিও
খ. সংবাদপত্র
গ. টেলিভিশন √
ঘ. মোবাইল

২. ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত শুনলে আমরা কোথায় যাব?
ক. গাছপালার নিচে
খ. খোলা মাঠে
গ. বাজারে
ঘ. আশ্রয় কেন্দ্রে √

৩. বন্যা হলে মাটিতে এমন কী জমা হয় যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে?
ক. পলি √
খ. পলিথিন
গ. আবর্জনা
ঘ. জৈব সার

৪. একটি স্থানে কী সৃষ্টি হলে বন্যার পানি সহজে নামতে পারে না?
ক. উর্বরতা
খ. জলাবদ্ধতা √
গ. অনুর্বরতা
ঘ. বাঁধ

৫. ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সংঘটনের সাথে কোন সালটি জড়িত?
ক. ১৯৬৬
খ. ১৯৭১
গ. ১৯৯০
ঘ. ২০০৭ √

৬. গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ কয়টি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে?
ক. ২টি
খ. ৪টি √
গ. ৩টি
ঘ. ৫টি

শূন্যস্থান পূরণ:

প্রশ্ন-১। বাংলাদেশে ঘন ঘন বন্যার প্রধান কারণ হচ্ছে — অবস্থান।
উত্তর: ভৌগোলিক।

প্রশ্ন-২। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আমাদের দেশের উল্লেখযোগ্য — দুর্যোগ।
উত্তর: প্রাকৃতিক।

প্রশ্ন-৩। বন্যার সময়ে — পানির অভাব দেখা দেয়।
উত্তর: বিশুদ্ধ।

প্রশ্ন-৪। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও — কারণে বন্যা হয়।
উত্তর: প্রাকৃতিক।

প্রশ্ন-৫। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় নিয়মিত — শুনব।
উত্তর: সংকেত।

প্রশ্ন-৬। মনে সাহস রাখব এবং ধৈর্যের সাথে — মোকাবিলা করব।
উত্তর: দুর্যোগ।

প্রশ্ন-৭। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে — মৌসুমে ঘূর্ণিঝড় হয়।
উত্তর: গ্রীষ্ম ও বর্ষা।

প্রশ্ন-৮। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে — এলাকায় অনেক ক্ষতি হয়।
উত্তর: উপকূলীয়।

প্রশ্ন-৯। শহরের বস্তি, গার্মেন্টস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন লেগে — ঘটে।
উত্তর: দুর্ঘটনা।

প্রশ্ন-১০। বাড়িতে — লাইনে সমস্যা থাকলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
উত্তর: বৈদ্যুতিক।

প্রশ্ন-১১। অগ্নিকান্ড ঘটলে — খবর দিতে হবে।
উত্তর: ফায়ার সার্ভিসকে।

প্রশ্ন-১২। আগুন মোকাবিলায় দাহ্য পদার্থ — থেকে দূরে রাখতে হবে।
উত্তর: লোকালয়।

শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয়:

১. বাংলাদেশে ১৯৭০, ১৯৯১ এবং ২০০৭ সালে তিনটি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল।

২. ১৯৮৭ সাল থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৪০টি ভয়াবহ বন্যা হয়েছে।

৩. অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বন্যার একটি কারণ।

৪. অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা হয় না।

৫. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক কারণে বন্যা হয়।

৬. পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যায়।

৭. বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৮. ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় অঞ্চলে কোনো ক্ষতি হয় না।

৯. ঘূর্ণিঝড়ের সময় কিছু সংকেত দেওয়া হয়।

১০. মানুষের সৃষ্ট নানা কারণে আগুণ লাগতে পারে।

উত্তর: ১. শুদ্ধ; ২. অশুদ্ধ; ৩. শুদ্ধ: ৪. অশুদ্ধ; ৫. শুদ্ধ; ৬. শুদ্ধ; ৭. অশুদ্ধ; ৮. অশুদ্ধ; ৯. শুদ্ধ; ১০. শুদ্ধ।

৪. মিলকরণ: ⮯

গাইড ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করো 👉 Install Now

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:

প্রশ্ন-১। বন্যা কীভাবে মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে?
উত্তর: বন্যা হলে মাটিতে পলি জমা হয় যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে।

প্রশ্ন-২। বাংলাদেশে প্রতিবছর বন্যা হয় কেন?
উত্তর: ভৌগোলিক অবস্থান এবং অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর বন্যা হয়।

প্রশ্ন-৩। বন্যার ফলে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: বন্যার ফলে মানুষের জীবন, ফসল, বাড়িঘর এবং রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়।

প্রশ্ন-৪। মানুষ সৃষ্ট বন্যার একটি কারণ লেখ।
উত্তর: মানুষ সৃষ্ট বন্যার একটি কারণ হলো: অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট, বাসস্থান ও বাঁধ নির্মাণ।

প্রশ্ন-৫। কোন কোন মাধ্যমে আমরা আবহাওয়ার খবর জানতে পারি?
উত্তর: রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে আমরা আবহাওয়ার খবর জানতে পারি।

প্রশ্ন-৬। কীভাবে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়?
উত্তর: সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বায়ুর নিম্নচাপ তৈরি হয়। আর এই নিম্নচাপের কারণেই ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন-৭। প্রাকৃতিক কারণে ঘটে এমন একটি দুর্যোগের নাম লেখ।
উত্তর: প্রাকৃতিক কারণে ঘটে এমন একটি দুর্যোগ হলো ঘূর্ণিঝড়।

প্রশ্ন-৮। মানুষ ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
উত্তর: মানুষ ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রেখে নিরাপদ স্থানে যেতে পারে।

প্রশ্ন-৯। সমুদ্রে নিম্নচাপ কেন সৃষ্টি হয় বলে তুমি মনে কর?
উত্তর: তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সমুদ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় বলে আমি মনে করি।

প্রশ্ন-১০। আগুনে কোনো স্থান পুড়ে গেলে প্রাথমিকভাবে কী করবে?
উত্তর: আগুনে কোনো স্থান পুড়ে গেলে ১০ মিনিট ধরে সেখানে পানি ঢালব এবং দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব।


বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:

প্রশ্ন-১। ঘূর্ণিঝড়ের কারণ কী? এটি ঘটে থাকে কেন? তুমি ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কী উপায় গ্রহণ করবে? তা লেখ।
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট নিম্নচাপই ঘূর্ণিঝড়ের কারণ।
এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কারণে ঘটে থাকে।
আমি ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় যে উপায় গ্রহণ করব তা বাক্যে হলো:
১. নিয়মিত ঘূর্ণিঝড়ের সংকেতগুলো শুনব।
২. অন্যদের সংকেতগুলো জানাব ও নিজেরা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেব।
৩. মা বাবার সাথে মিলেমিশে কাজ করব, বড়দের কথা মেনে চলব এবং সবসময় নিরাপদ স্থানে থাকব।
৪. আশ্রয় কেন্দ্রে বা নিরাপদ কোন স্থানে যাওয়ার আগে বইপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস নিরাপদ স্থানে গুছিয়ে রাখব।

 

প্রশ্ন-২। কী কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়? এর ফলে কী ক্ষতি হয়? তা লেখ।
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখানে বায়ুর নিম্নচাপ হয় এবং এই নিম্নচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণিঝড়ে মানুষের সম্পদ, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, গাছপালা ধ্বংস হয়। এতে অনেক মানুষ ও পশুপাখি মারা যায়। ফসলের ক্ষেত নষ্ট হয়। খাদ্য দ্রব্য নষ্ট হওয়ায় খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশুদ্ধ পানির অভাবে ডায়রিয়াসহ নানা রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়।

 

প্রশ্ন-৩। ঘূর্ণিঝড় বলতে তুমি কী বোঝ? ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কীভাবে মানুষকে সতর্ক করা হয়? তা লেখ।
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং এই নিম্নচাপের কারণে যে ঝড়ের সৃষ্টি হয় তাকে ঘূর্ণিঝড় বলে। ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় বসবাসরত জনগণকে বিভিন্ন সময়ে সংকেতের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়। যেমন- স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত, ১ নম্বর থেকে ১০ নম্বর পর্যন্ত মহাবিপদ সংকেত। তাছাড়া বিভিন্ন নম্বরের সংকেতের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হয়। যারা সমুদ্রে মাছ ধরতে যান তারাও এই সংকেত শুনে সতর্ক হন। রেডিও, টেলিভিশন এবং বিভিন্ন খবরের কাগজে সংকেত প্রচারের ব্যবস্থা হয়; যার ফলে সবাই সতর্ক হতে পারেন।

 

প্রশ্ন-৪। সম্প্রতি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে আগুন লেগে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুন লাগার কারণ লেখ।
উত্তর: আগুন লাগার ছয়টি কারণ হলো:
১. রান্নার পরে চুলার আগুন সম্পূর্ণ নিভিয়ে না দিলে;
২. সিগারেট, বিড়ি, হুঁকা ইত্যাদির আগুন থেকে;
৩. ঘরে কুপি, হারিকেন, মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখলে;
৪. বাড়ির বিদ্যুতের লাইনে সমস্যা থাকলে;
৫. কারখানার দাহ্য পদার্থ (যে জিনিস সহজে আগুন ধরে) থেকে;
৬. শিশুরা আগুন নিয়ে খেলা করলে বা আতশবাজি ফোটাতে গেলে।

 

প্রশ্ন-৫। বাংলাদেশে প্রতিবছর বন্যা হয় কেন? বন্যার সময় কীভাবে পড়ালেখার ক্ষতি হয়?
উত্তর: ভৌগোলিক অবস্থান এবং অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর বন্যা হয়।
বন্যায় ঘরবাড়ি ডুবে যায় বলে মানুষের থাকতে অনেক কষ্ট হয়। বন্যার সময় বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের অনেক এলাকার শিশুদের লেখাপড়ার ক্ষতি হয়। অনেক জায়গায় রাস্তা পানিতে ডুবে থাকে বলে শিশুরা স্কুলে যেতে পারে না। আবার অনেক স্কুলে মানুষ আশ্রয় নেওয়ার কারণে স্কুল বন্ধ থাকে। অনেকের বাড়ি বন্যার পানিতে ডুবে গেলে শিশুদের বই খাতা পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায়।


প্রিয় শিক্ষার্থী, তোমাদের ক্লাসের সকল বইয়ের সমাধান পেতে আমাদের অ্যাপটি👉 Install করো।


আরও পড়ুন: চতুর্থ শ্রেণীর বিশ্বপরিচয় একাদশ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

আরও পড়ুন: চতুর্থ শ্রেণির বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১৩ প্রশ্ন উত্তর

Codehorse App

Check Also

চতুর্থ শ্রেণির বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

চতুর্থ শ্রেণি বিজ্ঞান দুর্ঘটনা ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশ্ন উত্তর

চতুর্থ শ্রেণি বিজ্ঞান দুর্ঘটনা ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশ্ন উত্তর: বিভিন্ন সময়ে আমাদের জীবনে বিভিন্ন ধরনের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *