এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান গতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান গতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের (গতি) গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর আলোচনা করব।

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান গতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর:

০১. খাড়া উপরের দিকে নিক্ষিপ্ত বস্তুর বেগ কোথায় শূন্য হয় এবং কেন?
উত্তর: কোনো বস্তুকে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হলে এটি অভিকর্ষজ ত্বরণের বিপরীতে গতিশীল হয়ে উপরে উঠতে থাকে। ফলে এটির বেগ কমতে থাকে। তাই ত্বরণ থাকার পরেও সর্বোচ্চ উচ্চতায় এর বেগ শূন্য হয়।


০২. স্কেলার রাশি ও ভেক্টর রাশির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর: স্কেলার রাশি ও ভেক্টর রাশির মধ্যে দুটি পার্থক্য:

স্কেলার রাশি ভেক্টর রাশি
১. স্কেলার রাশির শুধুমান আছে, কিন্তু দিক নেই। ১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক উভয়ই।
২. উদাহরণ: ভর, দূরত্ব, দ্রুতি, বিভব। ২. উদাহরণ: বেগ, ত্বরণ, তড়িৎক্ষেত্র।

০৩. চলন্ত গাড়ি থেকে বাইরের গাছপালাগুলোকে দেখতে গতিশীল মনে হয় কেন?
উত্তর: চলন্ত গাড়ি থেকে বাইরের গাছপালাগুলোকে দেখতে গতিশীল মনে হয় আপেক্ষিক বেগের কারণে। প্রত্যেক পর্যবেক্ষক তার নিজ প্রসঙ্গ কাঠামোকে স্থির দেখে। চলন্ত গাড়ির যাত্রী বাসটিকে স্থির দেখবে কিন্তু তার কাছে মনে হবে গাছপালাগুলো বিপরীত দিকে গতিশীল।


০৪. পানিপূর্ণবোতল বেশ কয়েকবার ঘুরিয়ে এর ছিপি হঠাৎ খুললে বোতলটি দ্রুত খালি হয় কীভাবে?
উত্তর: পানিপূর্ণবোতলকে ঘোরালে এর মধ্যকার পানি ঘূর্ণন গতি প্রাপ্ত হয়, অর্থাৎ বোতলের ভিতরে ঘূর্ণি তৈরি হয়। এ ঘূর্ণির কেন্দ্রে একটি ফাঁকা স্থানের সৃষ্টি হয় এবং বোতলের ছিপি খুললে এ ফাঁকা স্থান দিয়ে বাতাস সহজে প্রবেশ করে এবং বোতলের ভিতরে ঢোকা বাতাসের চাপে পানিপূর্ণবোতলটি দ্রুত খালি হয়।


০৫. ঘড়ির কাঁটার গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি ও ঘূর্ণন গতির মধ্যে কোনটির উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়?
উত্তর: ঘড়ির কাঁটা একটা বিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। অর্থাৎ, এটি ঘূর্ণন গতির সাথে প্রসঙ্গিক। আবার, ঘড়ির কাঁটা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে অতিক্রম করে। অর্থাৎ, এটি পর্যায়বৃত্ত গতির সাথেও প্রাসঙ্গিক। তাই বলা যায়, ঘড়ির কাঁটার গতি পর্যায়বৃত্ত ও ঘূর্ণন উভয় রকমের গতির উদাহরণ হিসেবেই বিবেচনা করা যায়।


০৬. দূরত্ব এবং সরণের মধ্যে কোনটি বস্তুর গতিপথের উপর নির্ভর করে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: দূরত্ব এবং সরণের মধ্যে কেবল দূরত্ব বস্তুর গতিপথের উপর নির্ভর করে। কারণ সরণ হলো বস্তুর আদি অবস্থান ও শেষ অবস্থানের মধ্যবর্তী সরলরৈখিক দূরত্ব। তাই সরণ বস্তুর গতিপথের উপর নির্ভর করে না। অপরদিকে বস্তুর মোট অতিক্রান্ত পথই এর দূরত্ব বলে এটি গতিপথের উপর নির্ভর করে।


০৭. চলন্ত রিকশার চাকার নিচের স্পোকগুলো গোনা গেলেও উপরের স্পোকগুলো গোনা যায় না কেন?
উত্তর: চলন্ত রিকশার বা রিকশার চাকার উপরের দিকের স্পোকগুলোর বেগের দিক রিকশার বেগের অভিমুখে এবং নিচের স্পোকগুলোর বেগের দিক রিকশার বেগের বিপরীতমুখে হয়। এ কারণে আমাদের সাপেক্ষে নিচের স্পোকগুলোর তুলনায় উপরের স্পোকগুলোর আপেক্ষিক বেগ বেশি হয়। তাই উপরের স্পোকগুলো বেশি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। এ কারণে চলন্ত রিকশার নিচের স্পোকগুলোর গোনা গেলেও উপরের স্পোকগুলো গোনা যায় না।


০৮. একটি বৃত্তাকার পথে কোনো গাড়ি সমবেগে চালানো সম্ভব কিনা- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: বৃত্তাকার পথে গাড়ি চালানোর সময় বেগের মান সমান রাখা সম্ভব হলেও দিক প্রতিমুহূর্তেই পরিবর্তন হবে। ফলে বেগটি অসম বেগে পরিণত হবে। এজন্য বৃত্তাকার পথে কোনো গাড়ি সমবেগে চালানো সম্ভব নয়।


০৯. গিটারের তারের কম্পন স্পন্দন গতি কেন?
উত্তর: গিটারের তার টানা হলে, তার যে কম্পন সৃষ্টি হয় তা তার পর্যায়কালের অর্ধেক সময় এক দিকে এবং বাকী অর্ধেক সময় তার বিপরীত দিকে চলে, যা পর্যাবৃত্ত স্পন্দন গতির বৈশিষ্ট্যের ন্যায়। একারণেই গিটারের তারের কম্পন একটি স্পন্দন গতি।


১০. ইঞ্জিনের পিস্টন সমদ্রুতিতে চললেও সমবেগে চলা অসম্ভব কেন?
উত্তর: ইঞ্জিনের পিস্টন সমদ্রুতিতে চলে এবং এটি একটি পর্যায়বৃত্ত গতি। তাই সমদ্রুতিতে চলাকালীন সময়ে পিস্টন প্রতি মুহূর্তে দিক পরিবর্তন করে। ফলে এর বেগ কখনও সমবেগ হওয়া সম্ভব নয়। একারণেই ইঞ্জিনের পিস্টন সমদ্রুতিতে চললেও সমবেগে চলা অসম্ভব।


১২. স্থির অবস্থা থেকে গতিশীল হওয়া কোনো বস্তু সমান দূরত্ব অতিক্রমের সময় ত্বরণ তিনগুণ হলে বেগ কতগুণ হবে?
উত্তর: ধরে নেই, u আদিবেগ নিয়ে a ত্বরণে কোনো বস্তু s দূরত্ব অতিক্রম করার পর তার বেগ হয় v ।
গতির সূত্রানুসারে, v^2 = u^2 + 2as [স্থির অবস্থা থেকে যাত্রা শুরু হওয়ায়, u = 0]
এখন ত্বরণ তিনগুণ হলে বর্তমান ত্বরণ, a′ = 3a
∴ v′^2 = 2 × a′ × s = 2 × 3a × s
∴ v′ = √(6as)
∴ v′/v = √(6as)/√(2as) = √3
∴ v′ = √3 v
∴ বেগ √3 গুণ হবে।


১৩. সকল স্থিতি ও গতি আপেক্ষিক কেন?
উত্তর: প্রসঙ্গ বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না হলে বস্তুর এ অবস্থাকে স্থিতি আর ঘটলে তাকে গতি বলে। স্থিতি ও গতি বুঝতে তাই প্রসঙ্গ বিন্দুর প্রয়োজন। মহাবিশ্বের কোনো প্রসঙ্গ বিন্দুই প্রকৃতপক্ষে স্থির নয়। তাই মহাবিশ্বের সকল স্থিতি ও গতি আপেক্ষিক।


১৪. আমাদের জীবনে গতির দুটি প্রভাব লেখো।
উত্তর: আমাদের জীবনে গতির দুটি প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
i. ঘড়ির কাঁটার ঘূর্ণন গতি আমাদেরকে সময় বুঝতে সাহায্য করে।
ii. যানবাহনের গতির কারণে আমরা একস্থান থেকে অন্যস্থানে দ্রুত পৌঁছাতে পারি।


📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now


১৫. ‘প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বে পরম স্থিতি বা পরম গতি পাওয়া না গেলেও আপেক্ষিক স্থিতি বা আপেক্ষিক গতি পাওয়া সম্ভব’- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পরম স্থিতিশীল প্রসঙ্গ বস্তুর সাপেক্ষে কোনো বস্তুর স্থিতিকে পরম স্থিতি এবং কোনো বস্তুর গতিকে পরম গতি বলে। কিন্তু এ মহাবিশ্বের এমন কোনো প্রসঙ্গ বস্তু পাওয়া সম্ভব নয় যা প্রকৃতপক্ষে স্থির রয়েছে। কাজেই আমরা যখন কোনো বস্তুকে স্থিতিশীল বা গতিশীল বলি তা আমরা কোনো আপাত স্থিতিশীল বস্তুর সাপেক্ষে বলে থাকি। তাই প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বে পরম স্থিতি বা পরম গতি পাওয়া না গেলেও আপেক্ষিক স্থিতি বা আপেক্ষিক গতি পাওয়া সম্ভব।


১৬. নক্ষত্রকে ঘিরে ধুমকেতুর গতি কী ধরণের গতির উদাহরণ তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: ধুমকেতু নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে একই দিক থেকে নির্দিষ্ট সময়ে একবার প্রদক্ষিণ করে। অর্থাৎ ধুমকেতুর গতিপথে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে অতিক্রম করে যা পর্যায়বৃত্ত গতির বৈশিষ্ট্যের সাথে প্রাসঙ্গিক। তাই নক্ষত্রকে ঘিরে ধুমকেতুর গতি একটি পর্যায়বৃত্ত গতির উদাহরণ।


১৭. একক ব্যাসার্ধের বৃত্তাকার পথে এক চতুর্থাংশ ভ্রমণ করলে দূরত্ব ও সরণের পার্থক্য অশূন্য হয় কেন?
উত্তর: সরণ হলো কোন বস্তুর অতিক্রান্ত পথের সোজাসুজি দূরত্ব। সুতরাং সরণ হবে সরলরৈখিক পথের সমান।
সরণ = √(1^2 + 1^2) = √2 একক
আবার দূরত্ব হলো বস্তুর অতিক্রান্ত মোট পথের সমান। সুতরাং দূরত্ব হবে বক্রপথ ACB এর দৈর্ঘ্যের সমান।
দূরত্ব = (2πr)/4 = (2π×1)/4 = π/2 একক
∴ দূরত্ব ও সরণের পার্থক্য = (π/2 − √2) একক ≠ 0
অর্থাৎ অশূন্য।


১৮. মান বিবেচনায় দূরত্ব সবসময় সরণের সমান বা তার বেশি হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: কোন গতিশীল কণা যে পথে যায়, তাই এর দূরত্ব। আবার, কোনো গতিশীল কণার আদি অবস্থান ও শেষ অবস্থানের মধ্যবর্তী সরলরৈখিক দূরত্বই হলো সরণ। যেহেতু সরণ সবসময় বস্তুর আদি ও শেষ অবস্থানের মধ্যবর্তী ন্যূনতম সরলরৈখিক দূরত্ব বোঝায়, তাই এটি সবসময় দূরত্ব থেকে ছোট হয়। অর্থাৎ, মান বিবেচনায় দূরত্ব সবসময় সরণের সমান বা তার বেশি হয়।


১৯. গতিশীল কোনো বস্তুর গড়বেগ ও গড় দ্রুতির মধ্যে কোনটি শূন্য হতে পারে না?
উত্তর: আমরা জানি, গড়বেগ = (মোট সরণ)/সময় এবং গড় দ্রুতি = (মোট দূরত্ব)/সময়। গতিশীল কোনো বস্তু কিছুপরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে আদি অবস্থানে ফিরে আসলে সরণ শূন্য হয়, কিন্তু দূরত্বের মান শূন্য হয় না। তাই এক্ষেত্রে গড়বেগ শূন্য হলেও গড় দ্রুতি শূন্য হতে পারে না।


২০. সরল দোলকের ক্ষেত্রে বেগ বনাম ত্বরণের লেখচিত্র কেমন হবে? চিত্র এঁকে দেখাও।
উত্তর: একটি সরল দোলকের ক্ষেত্রে এর সর্বোচ্চ সরণে বেগ হয় শূন্য ও সাম্যাবস্থা তথা শূন্য সরণে বেগ হয় সর্বোচ্চ। আবার সরল দোলকের ক্ষেত্রে বেগ ও ত্বরণ পরাবৃত্তীয় পরিবর্তন প্রদর্শন করে। নিচে সরল দোলকের ক্ষেত্রে বেগ বনাম ত্বরণের লেখচিত্র দেওয়া হলো:


২১. মঙ্গল গ্রহের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর ৩৮ শতাংশ। মঙ্গলগ্রহে কোনো বস্তুকে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে ফেলে দিলে পৃথিবীর তুলনায় এটির কতগুণ সময় লাগবে? [বাতাসের বাঁধা উপেক্ষা করে]
উত্তর: ধরি, h উচ্চতা থেকে ফেলে দেয়া কোনো বস্তু অভিকর্ষজ ত্বরণ, g প্রাপ্ত হয়ে t সময় পরে পৃথিবী পৃষ্ঠে পৌঁছায়। তাহলে মঙ্গল গ্রহে অভিকর্ষজ ত্বরণ, g′ = (g×38)/100
গতির সূত্র থেকে পাই, h = (1/2)gt^2 [স্থির অবস্থা থেকে পড়ন্ত বস্তু]
বা, 2h = gt^2
বা, t^2 = 2h × (1/g)
বা, t = √(2h) × (1/√g)
উচ্চতা h ধ্রুবক ধরলে, t ∝ 1/√g
এখন মঙ্গল গ্রহে প্রয়োজনীয় সময় t′ হলে,
t′/t = √g / √g′
t′ = (√g/√g′) × t = (√g / √(g×38/100)) × t = 1.622 × t
সুতরাং মঙ্গল গ্রহে কোনো বস্তুর ভূমিতে পৌঁছাতে পৃথিবীর তুলনায় 1.622 গুণ বেশি সময় লাগবে।


২২. গতির সাধারণ সূত্রগুলো লেখো।
উত্তর: গতির সাধারণ সূত্রগুলো নিচে দেওয়া হলো:
i. v = u + at
ii. s = ut + (1/2)at^2
iii. v^2 = u^2 + 2as


২৩. ডিম না ভেঙ্গেও সেটি সিদ্ধ নাকি কাঁচা তা কীভাবে বোঝা সম্ভব।
উত্তর: সিদ্ধ ডিমের ভেতরের অংশ সম্পূর্ণ জমাট বেঁধে যায়, ফলে এর ভেতরে সব জায়গায় ঘনত্ব সমান থাকে। এ কারণে সিদ্ধ ডিমকে টেবিলের উপর রেখে ঘুরালে তা সুষমভাবে ঘুরতে থাকে। কিন্তু একটি কাঁচা ডিমের ভেতরের অংশ তরল থাকে বলে যখন ঘোরানো হয় তখন এর ভেতরের তরল অংশ বিক্ষিপ্তভাবে নড়াচড়া করার কারণে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন বেগ প্রাপ্ত হয় এবং ডিমের গতি কমিয়ে দেয়। আবার ডিম যখন থেমে যায় তখন তরল অংশের এলোমেলো গতির জন্য এটি তখন এলোমেলোভাবে নড়ে।


২৪. কোনো বস্তুর গতিকালে কোনো বিশেষ মুহূর্তের দ্রুতি জানার জন্য কোন রাশি সম্পর্কেধারণা রাখা প্রয়োজন তা বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: কোনো বস্তুর গতিকালে কোনো বিশেষ মুহূর্তের দ্রুতি জানার জন্য তাৎক্ষনিক দ্রুতি সম্পর্কেধারণা রাখা প্রয়োজন। তাৎক্ষণিক দ্রুতি হলো সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে, সময়ের সাথে কোনো বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্বের হার। অর্থাৎ, তাৎক্ষণিক দ্রুতি বস্তুর নির্দিষ্ট মুহূর্তের দ্রুতিকে নির্দেশ করে। তাই এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক দ্রুতি সম্পর্কেধারণা রাখা প্রয়োজন।


প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা এখন চাইলে এই সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলো ও অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর জন্য PDF কপি সংগ্রহ করতে পারো। নিচের “Answer Sheet” বোতামে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবে সম্পূর্ণ সমাধান।

Answer Sheet

সকল বিষয়ে সমাধান ও সাজেশন পেতে আমাদের YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে বেল বাটনটি প্রেস করে রাখো এবং সকল গাইড ও সাজেশন মোবাইলে পড়তে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করে নাও। এতে তোমাদের পড়াশোনা হবে আরও সহজ ও মজার!!

Read More:  এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান বল সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

Codehorse App

Check Also

এস এস সি বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর

সুভা গল্পের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর: প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা ৯ম-১০ম ও এসএসসি পরিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *