চতুর্থ শ্রেণির বিশ্বপরিচয় অধ্যায় ১৩ প্রশ্ন উত্তর: বিভিন্ন সময়ের আদমশুমারি ও বিবিএস প্রতিবেদন থেকে নেওয়া বাংলাদেশের জনসংখ্যা সম্পর্কিত ছকটি লক্ষ কর। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৪৬ বছরে দ্বিগুণের বেশি হয়ে গেছে। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী বছরে ১.২২% হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বৃদ্ধির হার ১৯৭০ সালের থেকে কম। সেই সময় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ৩%। দেখা যাচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের জনসংখ্যা আয়তনের তুলনায় অনেক বেশি।
জনসংখ্যার ঘনত্ব:
একটি দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে যতজন লোক বাস করেন, তাকে জনসংখ্যার ঘনত্ব বলে। যেহেতু আমাদের দেশের আয়তনের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না তাই সময়ের সাথে সাথে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে চলেছে। ২০২২ সালে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১৯৯ জন।
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দশম। সিঙ্গাপুরের অবস্থান তৃতীয় এবং হংকং চতুর্থ। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত আছে তেত্রিশতম স্থানে এবং পাকিস্তানের অবস্থান ছাপ্পান্নতম।
অতিরিক্ত জনসংখ্যার কুফল:
অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে আমাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। যেমন: মানুষ কাজ পায় না; প্রয়োজনীয় খাবার পাওয়া যায় না; অনেকে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারেন না; চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না; সমাজে অপরাধ বেড়ে যায়; পরিবেশ দূষিত হয়;
অল্প কথায় উত্তর:
প্রশ্ন-১। বাংলাদেশে বর্তমানে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
উত্তর: বাংলাদেশে বর্তমানে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২%।
প্রশ্ন-২। বর্তমানে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
উত্তর: সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী বর্তমানে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০১৫ জন।
প্রশ্ন-৩। জনসংখ্যার ঘনত্বের ভিত্তিতে বর্তমানে পৃথিবীতে বাংলদেশের অবস্থান কত?
উত্তর: জনসংখ্যার ঘনত্বের ভিত্তিতে বর্তমানে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান এগারোতম।
প্রশ্ন-৪। অতিরিক্ত জনসংখ্যার একটি সামাজিক কারণ উল্লেখ কর।
উত্তর: অতিরিক্ত জনসংখ্যার একটি সামাজিক কারণ হলো বাল্য, বিবাহ।
প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
প্রশ্ন-১। পরিবেশের উপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার প্রভাব কী কী?
উত্তর: পরিবেশের উপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার প্রভাব নিম্নরূপ:
১. পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ছে।
২. বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়ছে।
৩. পশুপাখির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে।
৪. জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে।
৫. পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
প্রশ্ন-২। পরিবারে শিশুর সংখ্যা কম থাকলে কী কী হতে পারে?
উত্তর: পরিবারে শিশুর সংখ্যা কম থাকলে যা যা হতে পারে-
১. প্রয়োজনীয় খাবার পাওয়া যায়।
২. ভালোভাবে লেখাপড়া করা যায়।
৩. থাকার জায়গায় সুবিধা হয়।
৪. চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
৫. প্রয়োজনীয় পোশাক পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর:
১. একটি দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে যতজন লোক বাস করে তাকে আমরা বলি-
ক. জনসংখ্যার বৃদ্ধি
খ. জনসংখ্যার অবস্থান
গ. জনসংখ্যার ঘনত্ব √
ঘ. জনগণের আয়
২. বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১০১৫ জন। এই হিসাব কত সালের?
ক. ২০০১
খ. ২০১১ √
গ. ২০১২
ঘ. ২০১৪
৩. কোনটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সামাজিক কারণ থেকে আলাদা বলে তুমি মনে কর?
ক. আয় রোজগার √
খ. শিক্ষার অভাব
গ. কুসংস্কার
ঘ. ছেলে সন্তান লাভের আশা
শূন্যস্থান পূরণ:
প্রশ্ন-১। বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার —।
উত্তর: ১.২%।
প্রশ্ন-২। জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান —।
উত্তর: এগারোতম।
প্রশ্ন-৩। আমাদের দেশের অর্থনীতি —।
উত্তর: কৃষিনির্ভর।
প্রশ্ন-৪। বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক —।
উত্তর: নারী।
প্রশ্ন-৫। ১৯৭৪ সালের পর বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৩৭ বছরে — হয়েছে।
উত্তর: দ্বিগুণ।
প্রশ্ন-৬। ১৯৭০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল —।
উত্তর: ৩%।
প্রশ্ন-৭। ২০১১ সালে জনসংখ্যার ঘনত্বের পরিমাণ ছিল প্রতি বর্গকিলোমিটারে —।
উত্তর: ১০১৫ জন।
প্রশ্ন-৮। জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক দিয়ে বিশ্বে সিঙ্গাপুরের অবস্থান —-।
উত্তর: তৃতীয়।
প্রশ্ন-৯। অতিরিক্ত জনসংখ্যার ফলে সমাজে — বৃদ্ধি পায়।
উত্তর: অপরাধ।
প্রশ্ন-১০। শিক্ষার অভাব জনসংখ্যা বৃদ্ধির — কারণের অন্তর্ভুক্ত।
উত্তর: সামাজিক।
প্রশ্ন-১১। উপার্জন ভালো হলে লোকজন জীবন সম্পর্কে — হয়।
উত্তর: সচেতন।
প্রশ্ন-১২। বৃদ্ধ বয়সে মা বাবা ছেলেমেয়েদের উপর — করেন।
উত্তর: নির্ভর।
প্রশ্ন-১৩। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর ক্ষেত্রে — ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর: নারীর।
শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয় :
১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৫ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।
২. বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৪৬ বছরে দ্বিগুণের বেশি হয়ে গেছে।
৩. ২০২২ সালে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১৯৯৯ জন।
৪. জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে অষ্টম।
৫. জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার পিছনে সামাজিক কারণ রয়েছে।
৬. বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।
৭. বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী।
৮. চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতিতে বাংলাদেশে মৃত্যুহার এখন অনেক কমে এসেছে।
৯. বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মা ছেলে সন্তানের উপর বেশি নির্ভরশীল।
১০. কৃষিকাজে লোকবল বেশি প্রয়োজন হয় না।
উত্তর: ১. অশুদ্ধ; ২. শুদ্ধ; ৩. শুদ্ধ; ৪. অশুদ্ধ; ৫. শুদ্ধ; ৬. শুদ্ধ; ৭. শুদ্ধ; ৮. শুদ্ধ; ৯. শুদ্ধ; ১০. অশুদ্ধ।
৪. মিলকরণ: ⮯
| গাইড ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করো 👉 Install Now |
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন-১। জনসংখ্যার ঘনত্ব বলতে তুমি কী বোঝ?
উত্তর: একটি দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে যতজন লোক বাস করে, তাকে জনসংখ্যার ঘনত্ব বলে।
প্রশ্ন-২। তোমার জানা মতে অতিরিক্ত জনসংখ্যার একটি সামাজিক সমস্যা উল্লেখ কর।
উত্তর: অতিরিক্ত জনসংখ্যার একটি সামাজিক সমস্যা হলো বাল্য বিবাহ।
প্রশ্ন-৩। অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির যেসব কুফল রয়েছে তার একটি উল্লেখ কর।
উত্তর: অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির যেসব কুফল রয়েছে তার একটি হলো মানুষ কাজ পায় না অর্থাৎ বেকারত্ব।
প্রশ্ন-৪। তোমার মতে বর্তমানে আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসলেও জনসংখ্যার ঘনত্ব কেন বেড়ে চলেছে?
উত্তর: আমাদের দেশের আয়তনের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। তাই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসলেও জনসংখ্যার ঘনত্ব বেড়ে চলেছে।
প্রশ্ন-৫। তোমার মতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ কী কী?
উত্তর: জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো:
(১) সামাজিক; (২) অর্থনৈতিক; (৩) ধর্মীয় ও (৪) স্বাস্থ্যগত।
প্রশ্ন-৬। তোমার মতে অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে পরিবেশে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: আমার মতে অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে পরিবেশ দূষিত হয়।
প্রশ্ন-৭। জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম বলে তুমি জান?
উত্তর: জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এগারোতম।
প্রশ্ন-৮। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সামাজিক কারণ কী কী?
উত্তর: বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সামাজিক কারণগুলো হলো:
শিক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কুসংস্কার, ছেলে সন্তান লাভের আশা ইত্যাদি।
প্রশ্ন-৯। কৃষকরা কেন পুত্র সন্তান চায় বলে তুমি মনে কর?
উত্তর: কৃষিকাজে, লোকবল বেশি প্রয়োজন বিধায় কৃষকরা পুত্র সন্তান চায়।
প্রশ্ন-১০। কীভাবে পরিবার ছোট রাখা সম্ভব বলে তুমি মনে কর?
উত্তর: পরিবারের নারীদের শিক্ষিত ও সচেতন করার মাধ্যমে পরিবার ছোট করা সম্ভম্ব।
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন-১। অতিরিক্ত জনসংখ্যা কী? অতিরিক্ত জনসংখ্যার পাঁচটি কুফল লেখ।
উত্তর: একটি দেশের সম্পদ ও ভূখন্ডের দিক থেকে যে পরিমাণ জনসংখ্যা থাকা দরকার তার চেয়ে বেশি জনসংখ্যা থাকলে তাকে, অতিরিক্ত জনসংখ্যা বলে।
অতিরিক্ত জনসংখ্যার পাঁচটি কুফল হলো:
১. মানুষ কাজ পায় না।
২. প্রয়োজনীয় খাবার পায় না।
৩. অনেকে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারে না।
৪. সমাজে অপরাধ বেড়ে যায়।
৫. প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পায় না।
প্রশ্ন-২। বর্তমান বাংলাদেশ একটা অধিক জনসংখ্যার দেশ। এখানে জনসংখ্যা কমানো জরুরি হয়ে পড়েছে। জনসংখ্যা কমানোর জন্য কী কী করা যেতে পারে ছয়টি বাক্যে লেখ?
উত্তর: জনসংখ্যা কমানোর জন্য যা কিছু করা যেতে পারে তা ছয়টি বাক্যে লেখা হলো:
১. সন্তানদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
২. বাল্যবিবাহ বন্ধ করা।
৩. বহুবিবাহ বন্ধ করা।
৪. আইন করে সন্তান সীমিত রাখার ব্যবস্থা করা।
৫. মা-বাবার শুধু সন্তানের উপর নির্ভরশীল না হওয়া।
৬. শুধু সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস করে বসে না থাকা।
প্রশ্ন-৩। বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কয়টি কারণ রয়েছে? এগুলো কী? বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির পেছনে কোন কোন সামাজিক কারণ দায়ী বলে তুমি মনে কর? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান চারটি কারণ রয়েছে।
এগুলো হলো: (১) সামাজিক, (২) অর্থনৈতিক, (৩) ধর্মীয় ও (৪) স্বাস্থ্যগত কারণ।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে বিভিন্ন সামাজিক কারণ রয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ নিরক্ষরতা। এছাড়া রাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কুসংস্কার, ছেলে সন্তান লাভের আশা ইত্যাদি। এছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম সামাজিক কারণ হচ্ছে নারীদের অধিকাংশের আয়মূলক কাজে জড়িত না থাকা।
প্রশ্ন-৪। জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত বলে তুমি জান? জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর ক্ষেত্রে কার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে তুমি মনে কর। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ লেখ।
উত্তর: জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১১ তম।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো:
১. সামাজিক কারণ শিক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কুসংস্কার, ছেলে সন্তান লাভের আশা ইত্যাদি কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২. অর্থনৈতিক কারণ: বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ হওয়ায় কৃষি কাজে বেশি লোকবল প্রয়োজন হয় বিধায় সবাই ছেলে সন্তান চায়।
৩. ধর্মীয় কারণ: সৃষ্টিকর্তা যেহেতু আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাই সবার খাবারের ব্যবস্থাও তিনি করবেন- এ ধারণা থেকে অনেকে অধিক সন্তান জন্ম দেয়।
৪. স্বাস্থ্যগত কারণ: স্বাস্থ্যগত সুবিধার অপর্যাপ্ততার কারণেও জনসংখ্যা বাড়ছে।
প্রশ্ন-৫। বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বছরে কত? এই বৃদ্ধির হার ১৯৭০ সালের তুলনায় কম না বেশি? তোমার এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কী কী সমস্যা হচ্ছে? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বছরে ১.২%।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৭০ সালের তুলনায় কম।
আমার এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে পারিবারিক ক্ষেত্রে দরিদ্র্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, সবাই লেখাপড়া করতে পারছে না, অসুখ হলে সবাই ডাক্তারের কাছে যেতে পারছে না। জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে সবাই চাকরি পাচ্ছে না।
Codehorse Learn Free