৪র্থ শ্রেণির বিশ্বপরিচয় ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর: আমাদের মধ্যে কেউ গ্রামে আবার কেউ শহরে বাস করেন। গ্রামাঞ্চলে যারা বাস করেন, তাদের সামাজিক পরিবেশের উন্নয়নের জন্য নিম্নোক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা, যাতায়াতের জন্য রাস্তাঘাট, সেতু, বাঁশের সাঁকো অথবা কালভার্ট, নিরাপদ খাবার পানির জন্য নলকূপ, প্রতিটি বাড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা, জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখার জন্য নালা এবং খাল পুকুর, ফসলের ক্ষেতে পানিসেচের ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সুবিধা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, খেলার মাঠ ।
যদি এই সুবিধাগুলো পর্যাপ্ত না হয়, তাহলে স্থানীয় জনগণের উচিত তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড মেম্বারকে জানানো। তারপর সকলে মিলে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ সুবিধাগুলোর উন্নয়নে কাজ করতে পারি। যেমন- বাঁশের সাঁকো নির্মাণ, খাবার পানি বিশুদ্ধকরণ, খেলার মাঠ তৈরি ইত্যাদি। তবে উন্নয়নের সময় পরিবেশের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার।
৪র্থ শ্রেণির বিশ্বপরিচয় ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর:
অল্প কথায় উত্তর:
প্রশ্ন-১। গ্রামীণ অঞ্চলের দুইটি সুবিধা উল্লেখ কর।
উত্তর: গ্রামীণ অঞ্চলের দুইটি সুবিধা হলো:
(১) যাতায়াতের জন্যে রাস্তা-ঘাট, সেতু, সাঁকো ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকা।
(২) নিরাপদ পানির জন্যে টিউবয়েলের সুবিধা থাকা।
প্রশ্ন-২। কীভাবে রাস্তা-ঘাট ও সেতু মেরামত করা সম্ভব?
উত্তর: এলাকার মানুষকে সচেতন করে এবং নিজেরা অংশ গ্রহণের মাধ্যমে রাস্তা-ঘাট ও সেতু মেরামত করা সম্ভব।
প্রশ্ন-৩। শহর অঞ্চলের দুইটি সুবিধা উল্লেখ কর।
উত্তর: শহর অঞ্চলের দুইটি সুবিধা হলো:
(১) চলাচলের জন্যে প্রশস্ত রাস্তা।
(২) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিরাপদ পানির সুবিধা।
প্রশ্ন-৪। কীভাবে পানি ও গ্যাস লাইন মেরামত করা সম্ভব?
উত্তর: পানি ও গ্যাস লাইন যেহেতু রাষ্ট্রীয় সম্পদ তাই এগুলো মেরামতের জন্যে স্থানীয় জনগণের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন মেয়র বা কাউন্সিলরকে জানানো উচিত।
প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
প্রশ্ন-১। এলাকার উন্নয়নে আমাদের ভূমিকা কী হওয়া উচিত?
উত্তর: এলাকার উন্নয়নে আমাদের ভূমিকা দুই ধরনের হতে পারে। প্রথমত, ব্যক্তিগত উদ্যোগ। এ পর্যায়ে আমরা পরিবেশ দূষণ রোধে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলব, বৃক্ষরোপণ করব, সকলকে এলাকার উন্নয়নে সচেতন করব। দ্বিতীয়ত, সংগঠিত উদ্যোগ। এ পর্যায়ে রাস্তাঘাট নির্মাণে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও মেরামতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করব, বিদ্যুৎ পানি ও গ্যাস সরবরাহের জন্য সম্মিলিতভাবে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করব।
প্রশ্ন-২। এলাকায় কোনোকিছু মেরামত করার দায়িত্ব কার?
উত্তর: এলাকায় বসবাসের জন্যে আমাদের রাস্তাঘাট, সেতু, বাঁশের সাঁকো অথবা কালভার্ট, বিদ্যুৎ ইত্যাদি প্রয়োজন। এগুলো নির্দিষ্ট সময় ব্যবহারের পর মেরামত করার প্রয়োজন পরে। এই মেরামত কাজ একা করা সম্ভব নয়। সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এগুলো মেরামত করতে হবে। স্থানীয় সরকার এই মেরামতের দায়িত্ব নিজ হাতে নেয়।
অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর:
১. তোমার বাসার কল দিয়ে ইদানিং গন্ধযুক্ত পানি আসছে। এই পানি সরাসরি পান করলে-
ক. রোগব্যাধি হতে পারে √
খ. শোনার সমস্যা হতে পারে
গ. আর্থিক সমস্যা হবে
ঘ. শরীর দুর্বল হয়ে যাবে
২. গ্রামীণ এলাকার সামাজিক পরিবেশ উন্নয়নে কতকগুলো উপাদান অপরিহার্য। গ্রামের পরিবেশে সাধারণত কোন উপাদানটি দেখা যায়?
ক. মার্কেট
খ. হাটবাজার √
গ. শপিংমল
ঘ. বিপণী-বিতান
৩. তুমি বাঁশের তৈরি সাঁকো কোথায় গেলে দেখতে পাবে?
ক. গ্রামে √
খ. শহরে
গ. পার্কে
ঘ. মাঠে
৪. রবিন সেচ দিয়ে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে ধান চাষ করে। রবিনের বাড়ি কোন এলাকায়?
ক. গ্রাম এলাকায় √
খ. শহর এলাকায়
গ. পৌর এলাকায়
ঘ. সিটি কর্পোরেশনে
৫. কোন সুবিধাটি তুমি গ্রামে গেলে পাবে কিন্তু শহরে পাবে না?
ক. ড্রেন
খ. বাজর
গ. পার্ক
ঘ. পুকুর √
৬. মনে কর, তেমার বাবা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার পদবি হলো-
ক. চেয়ারম্যান
খ. মেম্বার
গ. মন্ত্রী
ঘ. মেয়র √
৭. তুমি প্রতিদিন বিকেলে বাবার সাথে পার্কে হাঁটতে যাও। তোমার বাড়ি কোন এলাকায়?
ক. গ্রাম এলাকায়
খ. শহর এলাকায় √
গ. প্রত্যন্ত এলাকায়
ঘ. নদী এলাকায়
শূন্যস্থান পূরণ:
প্রশ্ন-১। গ্রামাঞ্চলে নির্দিষ্ট স্থানে — ফেলতে হবে।
উত্তর: ময়লা।
প্রশ্ন-২। গ্রামাঞ্চলে ফসলের ক্ষেতে — ব্যবস্থা থাকতে হবে।
উত্তর: পানিসেচের।
প্রশ্ন-৩। গ্রামাঞ্চলে — সেবার ব্যবস্থা করতে হবে।
উত্তর: স্বাস্থ্য।
প্রশ্ন-৪। প্রতিটি বাড়িতে — পায়খানার ব্যবস্থা করতে হবে।
উত্তর: স্বাস্থ্যসম্মত।
প্রশ্ন-৫। প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না থাকলে ইউনিয়ন পরিষদের — অবহিত করতে হবে।
উত্তর: চেয়ারম্যানকে।
প্রশ্ন-৬। সকলে মিলে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ সুবিধাগুলোর —- কাজ করতে পারেন।
উত্তর: উন্নয়নে।
প্রশ্ন-৭। শহরে রান্নার কাজে — ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রশ্ন-৮। শহরে ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য থাকে —।
উত্তর: ডাস্টবিন।
প্রশ্ন-৯। শহরে চলাচলের জন্য — রাস্তা প্রয়োজন।
উত্তর: প্রশস্ত।
প্রশ্ন-১০। ময়লা নিষ্কাশনের জন্য শহরে প্রয়োজন —।
উত্তর: নালা বা ড্রেন।
প্রশ্ন-১১। পৌরসভার প্রধান হলেন —।
উত্তর: মেয়র।
প্রশ্ন-১২। শহরাঞ্চলে নিরাপদ — পানি প্রয়োজন।
উত্তর: খাবার।
শুদ্ধ/অশুদ্ধ নির্ণয়:
১. আমাদের মধ্যে কেউ গ্রামে বাস করেন।
২. আমরা সকলে মিলে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ সুবিধাগুলোর উন্নয়নে কাজ করতে পারি।
৩. এলাকার সকলে মিলে শহরাঞ্চলের সুবিধাগুলোর উন্নয়নে কাজ করতে পারি।
৪. শহরাঞ্চলে ময়লা নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেনের প্রয়োজন নেই।
৫. সকলে মিলে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ সুবিধাগুলোর উন্নয়নে কাজ করতে পারি না।
৬. গ্রামাঞ্চলের জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখার জন্য নালা বা খালের প্রয়োজন।
৭. আমাদের মধ্যে কেউ শহরে বাস করেন।
উত্তর: ১. শুস্থ; ২. শুখ; ৩. শুদ্ধ: ৪. অনুস্থ; ৫. অসুস্থ; ৬. শুদ্ধ; ৭. শুদ্ধ।
৪. মিলকরণ: ⮯
| গাইড ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করো 👉 Install Now |
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন-১। তোমার এলাকায় একটি খালের উপর দিয়ে সেতু নির্মাণ করতে তুমি কী উদ্যোগ গ্রহণ করবে?
উত্তর: প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদকে এ ব্যাপারে অবহিত করব। তারপর সম্মিলিতভাবে এটি তৈরির জন্য এলাকাবাসীকে উৎসাহিত করব।
প্রশ্ন-২। তোমার এলাকায় কোনো খেলার মাঠ না থাকলে তুমি কোন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে?
উত্তর: আমার এলাকায় কোনো খেলার মাঠ না থাকলে আমি খেলা ও বিনোদনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হব।
প্রশ্ন-৩। তোমাদের গ্রামে সুযোগ ও সুবিধা পর্যান্ত না হলে তুমি কাদের জানাবে?
উত্তর: আমাদের গ্রামে সুযোগ ও সুবিধা পর্যাপ্ত না হলে আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড মেম্বারকে জানাব।
প্রশ্ন-৪। গ্রামাঞ্চলে যাতায়াতের সুবিধার্থে কী কী তৈরি করা হয়?
উত্তর: গ্রামাঞ্চলে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাস্তাঘাট, সেতু, বাঁশের সাঁকো, কালভার্ট ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
প্রশ্ন-৫। গ্রামাঞ্চলে প্রতিটি বাড়িতে কী থাকা উচিত?
উত্তর: গ্রামাঞ্চলে প্রতিটি বাড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা থাকা উচিত।
প্রশ্ন-৬। তোমার বাবা এলাকার কয়েকটি গ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি কোন পরিষদের চেয়ারম্যান?
উত্তর: তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
প্রশ্ন-৭। গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ খাবার পানির জন্য কী স্থাপন করা হয়?
উত্তর: গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ খাবার পানির জন্যে নলকূপ স্থাপন করা হয়।
প্রশ্ন-৮। শহরাঞ্চলের সুযোগ ও সুবিধা পর্যাপ্ত না হলে কাদের জানাতে হবে?
উত্তর: শহরাঞ্চলে সুযোগ ও সুবিধা পর্যাপ্ত না হলে সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরকে জানাতে হবে।
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
প্রশ্ন-১। গ্রামের সমস্যার কথা কাকে জানাতে হবে? কীভাবে গ্রামীণ সুবিধাগুলোর উন্নয়নে কাজ করা যায়? কোন কোন বৈশিষ্ট্য থাকলে একটি গ্রামকে আদর্শ গ্রাম বলা যায়? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: গ্রামের সমস্যার কথা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড মেম্বারকে জানাতে হবে।
সকলে মিলে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ সুবিধাগুলোর উন্নয়নে কাজ করা যায়।
যেসব বৈশিষ্ট্য থাকলে একটি গ্রামকে আদর্শ গ্রাম বলা যায় তা চারটি বাক্যে হলো:
১. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুবিধা।
২. যাতায়াতের জন্য রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, বাঁশের সাঁকো ইত্যাদির সুবিধা।
৩. নিরাপদ খাবার পানির জন্যে প্রতিটি বাড়িতে নলকূপের সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা।
৪. প্রতিটি বাড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা।
প্রশ্ন-২। রান্নার কাজে কোন অঞ্চলে গ্যাস ব্যবহৃত হয়? শহরাঞ্চলে যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার বলে মনে কর তার পাঁচটি উল্লেখ কর।
উত্তর: রান্নার কাজে শহরাঞ্চলে গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
শহরাঞ্চলে যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার তার পাঁচটি উল্লেখ করা হলো:
১. চলাচলের জন্য প্রশস্ত রাস্তা।
২. ময়লা নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন বা নালা।
৩. ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য ডাস্টবিন।
৪. নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা।
৫. বিদ্যুৎ সুবিধা।
প্রশ্ন-৩। সামাজিক পরিবেশের উন্নয়নের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন তার একটির নাম বল। এটি কেন প্রয়োজন? কোনো এলাকার দরকারমতো সুযোগ-সুবিধা না থাকলে কী কী সমস্যা হতে পারে বলে তুমি মনে কর? চারটি সমস্যা উল্লেখ কর।
উত্তর: সামাজিক পরিবেশের উন্নয়নের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন তার একটি হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সমাজের মানুষকে শিক্ষিত করে, তোলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন।
কোনো এলাকায় দরকারমতো সুযোগ ও সুবিধা না থাকলে যেসব সমস্যা দেখা দেয় তার চারটি সমস্যা উল্লেখ করা হলো:
১. কোনো এলাকায় হয়তো দরকার মতো রাস্তা, সেতু-সাঁকো নেই, ফলে মানুষের যাতায়াতের সমস্যা হতে পারে।
২. নিরাপদ পানির ব্যবস্থা না থাকলে ডায়রিয়া, কলেরাসহ মানুষ নানা রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে।
৩. স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা না থাকলে পরিবেশ দূষিত হয়। তাতে রোগজীবাণু ছড়াতে পারে।
৪. হাসপাতালের সুবিধা না থাকলে লোকজন নানা রোগে ভোগে এবং অযাচিতভাবে মারা যায়।
প্রশ্ন-৪। আমরা কোথায় বাস করি? নিজ এলাকায় আমাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দরকার কেন? নিজ এলাকায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার জন্য আমরা কী কী করতে পারি? চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: আমরা কেউ গ্রামে আবার কেউ শহরে বাস করি।
সামাজিক পরিবেশের উন্নয়নের জন্য নিজ এলাকায় আমাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দরকার।
নিজ এলাকায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার জন্য আমরা নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে পারি:
১. এলাকার উন্নয়নের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা দরকার সেগুলোর জন্য এলাকার লোকজনকে সচেতন করে তুলতে পারি।
২. গ্রাম এলাকার সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা ওয়ার্ড মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
৩. শহর এলাকায় সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার জন্য সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরের সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
৪. পার্ক ও খেলার মাঠে শিশুদের খেলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা করে।
Codehorse Learn Free