দূরের পাল্লা সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত প্রশ্ন উত্তর: ক. বন-হাঁস কী করছে? খ. নৌকায় যেতে যেতে মাঝিরা কী কী দেখছে? গ. ঘোমটা দেওয়া বউটি কী করছিল? ঘ. শৈবালকে কেন টাকশাল বলা হয়েছে?
দূরের পাল্লা সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত প্রশ্ন উত্তর:
দূরের পাল্লা
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ছিখান্ তিন-দাঁড়-
তিনজন মাল্লা
চৌপর দিন-ভোর
দ্যায় দূর-পাল্লা!
পাড়ময় ঝোপঝাড়
জঙ্গল-জঞ্জাল,
জলময় শৈবাল
পান্নার টাঁকশাল।
কঞ্চির তীর-ঘর
ঐ-চর জাগছে,
বন-হাঁস ডিম তার
শ্যাওলায় ঢাকছে।
চুপ চুপ-ওই ডুব
দেয় পাকৌটি
দ্যায় ডুব টুপ টুপ
ঘোমটার বৌটি!
ঝকঝক কলসীর
বকবক শোন্ গো
ঘোমটার ফাঁক বয়
মন উন্মন্ গো।
তিন-দাঁড় ছিপখান্
মন্থর যাচ্ছে
তিনজন মাল্লায়
কোন্ গান গাচ্ছে?
অনুশীলনী
১. শব্দ দিয়ে বাক্য লিখি।
দিনভর : মাঝিরা দিনভর নৌকা চালায়।
জঞ্জাল : নদীর দুই পাড়ে জঞ্জাল দেখা যায়।
শ্যাওলা : পানির ওপর শ্যাওলা ভাসছে।
মন্থর : মন্থর বাতাসে নৌকাটি ধীরে চলে।
কচিঁ : কচিঁর তীর ধরে নৌকা এগিয়ে যায়।
২. সঠিক উত্তর বাছাই করে বাক্যটি পুনরায় লিখি।
ক. কবিতায় তিন জন মাঝির কথা বলা হয়েছে।
খ. নদীর সারা পাড় জুড়ে ঝোপঝাড় রয়েছে।
গ. নদীর পানিতে শ্যাওলা ভাসছে।
ঘ. পানকৌড়ি নদীতে ডুব দিচ্ছে।
ঙ. বালতিতে পানিভরা বকবক শব্দ শোনা যাচ্ছে।
চ. নৌকা চালাতে চালাতে মাঝিরা গান বলছে।
৩. কবিতাটি হাতে তাল দিয়ে দিয়ে একসাথে বলি।
(এটি শ্রেণিকক্ষে তাল দিয়ে বলতে হবে)
৮. প্রশ্নের উত্তর বলি ও লিখি।
ক. বন-হাঁস কী করছে?
উত্তর: শ্যাওলায় তার ডিম ঢাকছে।
খ. নৌকায় যেতে যেতে মাঝিরা কী কী দেখছে?
উত্তর: নৌকায় যেতে যেতে মাঝিরা পাড়ের ঝোপঝাড়, জঙ্গল- জঞ্জাল, শ্যাওলা দেখছে।
গ. ঘোমটা দেওয়া বউটি কী করছিল?
উত্তর: টুপ টুপ ডুব দিচ্ছিল।
ঘ. শৈবালকে কেন টাকশাল বলা হয়েছে?
উত্তর: শৈবালকে টাকশাল বলা হয়েছে কারণ শৈবালগুলো সবুজ রংয়ের দামি রত্নের মতো পড়ে আছে।
ঙ. কবিতাটি পড়তে ভালো লাগে কেন?
উত্তর: কবিতাটি পড়তে ভালো লাগে কারণ এতে নদীর দৃশ্য ও মাঝিদের গান সুন্দরভাবে আছে।
📘 সকল গাইড, বই ও সাজেশন পেতে আমাদের অ্যাপটি ইনস্টল করো: Install Now
৫. যুক্তবর্ণ খুঁজি, শব্দ বানাই।
মাল্লা — ল্ল = ল্ + ল — উল্লাস
জঞ্জাল — ঞ্জ = জ্ + ঞ — গঞ্জ
মন্থর — ন্থ = ন্ + থ — কন্ঠ
কঞ্চির — ঞ্চ = ন্ + চ — পঞ্চম
জঙ্গল — ঙ্গ = ঙ্ + গ — অঙ্গ
উন্মন — ন্ম = ন্ + ম — সম্মান
Codehorse Learn Free